গভীর নিশুতি,
অমাবস্যার কালো রাত্রী,
ঘুমন্ত চারিদিক, ঘুমন্ত এই পৃথিবী,
একমাত্র আমিই রাত জাগা যাত্রী।
কে যেন,
কোথা থেকে আমায় ডাকে?
এত রাতে কে ডাকে?
খুব ক্ষীন স্বরে আমায় ডাকে,
উৎকন্ঠ আহ্বান কার যেন স্বরটা খুব পরিচিত,
কিন্তু ধরতে পারছিনা, এখন আবার অপরিচিত।
আমি না বুঝেই সাড়া দেই, কে, কে ডাকে এত রাতে?
কোন সাড়া নেই সব চুপচাপ, আবার বলি কে ওখানে?
আমি শুনি সে ডাক একদম পরিচিত খুব শান্ত,
মনটা ছটফট করে, খাঁচায় আবদ্ধ চড়ুই পাখির মত অশান্ত।
কেউ সাড়া দেয়না জানিনা কে বা ডাকে,
কেনই বা ডাকে,

জানালা খুলে বাইরে দেখি, কালো অন্ধকার,
ঝিঁ ঝিঁ পোকা ডাকছে শুধু, নয়ত চারিদিক চুপচাপ।
আবারও সে ডাক শুনতে পেলাম একদম কাছে,
আমি বললাম কে, কে তুমি, এদিকে এসো আমার সামনে,
ভারি অস্থির উৎকন্ঠ আহবানে আমায় ডাকছে।
একটা ছায়া দেখলাম আমার দিকে এগিয়ে আসছে,
কন্ঠটা ভীষন পরিচিত, খুব চেনা কন্ঠস্বর,
কার যেন, কার যেন, হ্যা মনে পড়েছে আমার নিজেরই স্বর।
ছায়াটা পরিস্কার হলো একদম কাছে দেখলাম!
আমার সামনে দাঁড়ানো আমি!
আমি আমার দিকে তাকিয়ে আছি,
আমি আমার সাথেই কথা বলছি।