কাঁচের দেয়ালের পেছনে সীসার প্রলেপ মেখে,
তাকালে নিজের অবিকল মুখখানি দেখা যাবে।
কি সেই অদ্ভুত সৃষ্টি তাইনা ?
যার নাম অনেক সুন্দর, আয়না।
পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে নিজেকে ভালবাসেনা,
আয়নায় সে তার নিজেকে দেখতে চায়না,
সেই আয়নাকে শত্রু ভেবে,
তুমি আড়াল করতে চেয়েছো নিজেকে,
পারলেনা তো আড়াল করতে,

কুমড়ো ফুল মরে গেলে যেমন শুকিয়ে যায়,
হলুদ থেকে ফিকে হয়ে ঝড়ে যায়,
তেমনি ঝড়ে গেছে তোমার সব ঘুম।
এখন অফুরন্ত সময় তোমার
তাই ভাঙ্গা দালানের ভিতরে নিঃসঙ্গ অন্ধকারে,
খুঁজে ফিরছো স্বপ্নের ফুল।

সময়ে বুঝলেনা,
অথচ দেখ এখন ডুবে গেছে চাঁদটা,
আমি জেগে আছি, মোমবাতি ধরে ঢিমঢিম নাচছে।
অন্ধকার পড়ছিল গলে গলে
তোমার চির চেনা গলিতে,
আর ফেরা হয়নি ব্রক্ষপুত্রের পাশ বেয়ে বেয়ে।

শুধু ঢেউ এর উপর ভাসছিল
তাকিয়ে হাসছিল চাঁদফুল, তারাফুল।
আজ তবে এমন রাতে, গভীর নিদ্রা ছেড়ে
সঙ্গম বন্ধ রেখে, কেন তবে
জেগে উঠা সেক্সীফোনের অচেনা কন্ঠশব্দে।
বাকী নিশি, তবে বলে দিক কোথায়,
কোনদিক গেলে হবে না আর ভুল,
কোন অন্ধকারে লুকিয়ে আছে তোমার স্বপ্নফুল।