আমরা সবাই জানি নাস্তিক তাদেরকে বলা হয় যারা কোন ধর্ম বিশ্বাস করেনা। যারা কোন সৃষ্টিকর্তা কে মানেনা। আর তথাকথিত আমাদের দেশে আজকাল নাস্তিকের অভান নেই, যারা প্রতিনিয়ত সৃষ্টিকর্তা ইসলাম ও আমাদের প্রিয় নবীজির বিরুদ্ধে লিখে যাচ্ছেন।
আর যে লেখাগুলো প্রত্যেক মুসলিমের হ্রদয়ে আঘাত করে, কিন্তু কোন হিন্ধু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ কিংবা ইহুদীর হ্রদয়ে আঘাত আসেনা। ওদের হ্রদয়ে আঘাত আসবে বা কেন, ওদের দেবতা, ওদের বগবান, ওদের মা কালী, ওদের বৌদ্ধ, ওদের ভিক্ষু ওদের জিশুখ্রিস্ট, ওদের ধর্ম আরও কত ভগবান আছে ওদের তাদের বিরুদ্ধে তো কখনো লিখেনা। ওই নাস্তিকরা যদি সত্যি ধর্ম না মানতো তাহলে ওরা সকল ধর্মরে বিরুদ্ধে লিখে যেত, কিন্তু ওরা সেটা না করে শুধু ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে যায় তার মানে হল এই যে তারা নাস্তিক নয় তারা ইহুদী, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও হিন্ধুদের দালাল। তাদের একটাই লক্ষ ইসলামকে ধংস করা যা আধো সম্ভব নয়। তারা বিজ্ঞানের কথা বলে বলে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে যায়, কিন্তু বিজ্ঞান কি আধো বলেছিল সৃষ্টিকতা বলতে কিছু নেই?? বিজ্ঞান কি আধো মুহাম্মদ (স) এর বিরুদ্ধে কিছু লিখেছিল?
বিজ্ঞান বলে সৃষ্টিকর্তা বলতে একজন আছে, আর তারা সে সৃষ্টিকর্তা কে দেখার জন্য অনেক চেস্টা করতেছেন, এমনকি কিছু বিজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার হাত দেখেছেন বলেও দাবী করেছিলেন কিছুদিন আগে হয়তো অনেকে পত্রিকার পাতায় সংবাদটি পেয়েছিল, আসলে সৃষ্টিকর্তা কে কখনো দেখা সম্ভব নয়, কিন্তু বিজ্ঞান যে সৃষ্টিকর্তা কে বিশ্বাস করে তার একটি প্রমাণ ছিল ওই সংবাদটি।
আসুন এইবার ভাবুন যে বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে নাস্তিকরা সৃষ্টিকর্তা কে মানেনা বলে সে বিজ্ঞান যে সৃষ্টিকর্তা কে মানে তার প্রমণ আমি দিলাম, তাহল নাস্তিকরা কি করে সৃষ্টিকর্তা কে মানেনা বলবেন? ওরা ধর্ম মানে সব মানে তবে ইসলাম মানেনা, ওদের লক্ষ ইসলাম ধংস করা, যা কখনো সম্ভব নয়।
আর আমাদের দেশে অন্য ধর্মরে বিরুদ্ধে কিছু বললে তার বিছার হয়, তখন ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা আসে। কিন্তু ৯০% মুসলিম দেশে যখন একের পর এক মুসলমানদের ধর্ময়ী অনূভুতিতে আঘাত করা হয় তখন কারো মাথা ব্যাথা হয়না। যখন শোনা যায় কোন একজন নাস্তিক মারা গেছে তখন কতগুলো মুসলিমের চোখে পানি আসে, ওদের পক্ষ নিয়ে প্রতিবাদ করে, লেখালিখি করে।
আমাদের সকলের উছিত ওদের নাস্তিক না ভেবে ওদের শুধু ইসলামের শত্রু ভেবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গরে তুলি, আর যারা ওদের সহযোগীতা করে আসছে সে সকল ধর্মরে মানুষদের কঠিন থেকে কঠিন শাস্তির ব্যাবস্থা করতে হবে।