একদা চঞ্চল গভীর একটি নদী ছিল এইখানে
বর্ষার সংগীতে নেচে নেচে উচ্ছ্বসিত প্রাণে
সব জল বয়ে নিয়ে যেতো সাগরকে উপহার দিতে।

সেই নদী আজ আর নেই, হয়েছে মৃত,
ইতিহাসও তার হয়েছে বিলীন, স্বর্নালী
মাঠের উৎসবও হারিয়ে গিয়েছে
বন্ধ্যাত্বে। কেউ আর জাগে না, পড়ে আছে
পলিভরা শীর্ণকায় এক শরীর।
ঢল নেমে এলে আর পারে না সে
কাউকে অভয় দিতে। চারপাশে
তাই সব এখন তলায় প্রবল বন্যায়,
সীমানা ছাড়িয়ে জল ওঠে ছাদে,
ভেসে যায় ঘর বাড়ী সংসার,
অসহায় কান্না চারিদিক, আর্তের কলরব।
নীরবে দেখে, আকাশও কাঁদে মানুষের বেদনায়।