গ্রীষ্মের দাবদাহ। নদীর তীরে বালিয়াড়িতে বসে আছে রাজু। তার চারপাশে ফুলে ফুলে ফুটছে শিমুল, হলুদ কাশফুল। দূরে আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে সাদা মেঘের দল।
রাজুর মনটা অস্থির। বৃষ্টি কবে হবে? এই প্রচণ্ড গরমে একটু শীতলতা কবে আসবে?
রাজুর পাশে বসে আছে তার ছোট্ট মেয়ে রুপা। রুপাও বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছে।
"বাবা, বৃষ্টি কবে আসবে?" - রুপা জিজ্ঞেস করলো।
"আজই আসবে। দেখ, মেঘ কত ঘন হয়ে এসেছে।" - রাজু বললো।
রুপা আকাশের দিকে তাকালো। তার চোখে আনন্দের ঝলক।
হঠাৎ, বাতাস ঠান্ডা হতে লাগলো। মেঘের গর্জন শোনা গেল।
রুপা চিৎকার করে উঠলো, "বৃষ্টি এসেছে! বৃষ্টি এসেছে!"
ঝমঝম করে বৃষ্টি শুরু হলো। রাজু ও রুপা দুজনেই ছুটে বৃষ্টিতে ভিজতে লাগলো।
মাটির সোঁদা গন্ধে ভরে গেলো বাতাস। পৃথিবী যেন নতুন করে জীবন্ত হয়ে উঠলো।
রাজু ও রুপা কিছুক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে মনের দুঃখ ভুলে গেল।
বৃষ্টি থেমে গেলে, রাজু রুপার হাত ধরে বাড়ির দিকে রওনা দিলো।
রাস্তায় রাজু বললো, "বৃষ্টি কতই না ভালো! বৃষ্টি ছাড়া পৃথিবী অসুন্দর।"
রুপা বললো, "হ্যাঁ, বাবা। আমিও বৃষ্টিকে ভালোবাসি।"
রাজু ও রুপা হেসে বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলো।
মন্তব্য (5)