তুমি সুহাসিনী, তুমি'ই শ্রেয়সী
তুমি অনুপম সুন্দরী পরী,
তোমার ধর্মে, কর্মে তুমি অপরূপ
তোমার কথা, চলন-বলন
যেন নিস্তেজ, শান্ত-ম্লান
যেন, তুমি'ই তোমার অনুরূপ।
তোমার হাসি যেন চঞ্চলা
হাসিতে'ই হাসে সূর্য,পরে রোদ্দুর।
তুমি কবিতা, গল্পের উপসংহার
'তোমার' প্রতিটি শব্দ যেন সুমধুর,
তুমি উপন্যাসের এক মূল মন্ত্র
যেন আমার লেখা গানের সুর।
আমি দেখতে-দেখতে হারাই
তোমার চোখে, রূপে-গুণে
আবার নিজেকে খুঁজি, খুঁজে বেড়াই
হৃদয়ে কোনে আবার কখনো, মনে-মনে!
আমি কথা বলতে-বলতে হেসে ফেলি
কখনো একা, তোমার সাথে, তোমার কথায়
কখনো নিস্তব্ধতা, নিশ্চুপ হয়ে যাওয়া
চোখে, ওষ্ঠে স্পষ্ট অপেক্ষায়।
আমি কল্পনার আল্পনায় তাকে আঁকি
হারিয়ে যাই, যেন হয়ে যাই বিলিন,
তার মায়ায়, স্নিগ্ধতায় পরে যাই
কারণে-অকারণে বারবার সীমাহীন!
কেউ থাকে কবিতা হয়ে কবিতায়
অন্তরে, করে হৃদয়কে অমলিন
বিশেষভাবে বিশেষ কোন স্থানে
উপন্যাসের সেই রোজালিন।
প্রাপ্তিতে কত কথা হবে দুজনার
হবে একসাথে কত আয়োজন,
অপ্রাপ্তির শোক সময় বলে দিবে
সবশেষে বৃদ্ধ বয়সে লাঠি ভর করে-
হাঁটতে হাঁটতে মনে হতে'ই পারে
আমায় তোমার কতটা প্রয়োজন।
মন্তব্য (13)