এ লুকোচুরিটি খেলার কথা বলি কাকেঃ
----
লেখার বিষয়ের কোনও অভাব নেই।একেবারে যানজটের মত আমার ভেতরে লেখাজট লেগে আছে।এতটুকু সময় পেলেও আমি লেখা বের করে দিই কিন্তু সেটাও পাচ্ছিনা।
নতুন কিছু বই দিনচারেক আগে কিনেছি,সেগুলোও পড়তে পারছিনা- আর ফেসবুক? সময় নেইগো।
সাদিয়া অসুস্থ,টোনা অসুস্থ- সাদিয়াকে পূর্ণ রেস্ট দিয়ে ওর যাবতীয় কাজ,টোনার জন্য বাড়তি যা করণীয় সব আমি করছি।আমি অসুস্থ সেটা ভুলে যেতে হয়,আমরা ভুলে যাই- আমি রেস্টে থাকলে সংসার অচল,তবে মরে গেলে নতুন করে,নতুন ভাবে সচল হবে।
প্রতিটি সংসারেই এমন হয়,যাকে ছাড়া সংসার অচল মনে হয়,সে যখন পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়, সংসারগুলো আবার নতুন করে সাজে; নতুন কারও চুড়ির রিনিঝিনি ঝংকারে।"আমি চলে গেছি বলে কোথাও কিছু থেমে নেই"---সংসারতো নয়ই।
যাক্ ও নিয়ে আফসোস নেই।
বলছিলাম লেখার বিষয়াদি নিয়ে।কি চমৎকার ভাবে নতুন নতুন চমকপ্রদ বিষয়াদি এসে আমাদের জীবনে যুক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।কোনটা ছেড়ে কোনটা ধরবেন!
ধরবেন!!
সাবধানে বুঝে শুনে ধরতে হবে।সব বিষয়ে কথা বলা যাবেনা,সব বিষয়ে লেখাও যাবেনা।
এ যেন, "দ্বার বদ্ধ করে দিয়ে ভ্রমটারে রুখি"।
তবুও মুখ ফসকে কিছু কথা বের হয়ে আসে,বেহায়া মুখ।
বেহায়া বাঁশি যখন নাম ধরে ডাকতে থাকে,কত আর কানে খিল লাগিয়ে থাকা!!
কোনও প্রসঙ্গে না যাই,ভেতরে ভেতরে গাই," না যাইও, না যাইও সখী,যমুনার জলেতে"।
আমার জল প্রয়োজন- তাই যমুনা কেন শুধু, দরকার হলে সমুদ্রে যাব ঘড়া নিয়ে জল আনতে।
তো, " এতক্ষণে অরিন্দম কহিলা বিষাদে"
কেন "হরষে করিয়া শুরু, মহাআড়ম্বরে করিয়া শুরু" - পরিশেষে বলতে হয়- "উহা ছিল ভুল,ভুল ছিল উহা"।
তাহলে শুরুর আগে কেন ভাবা হয়না? এত তাড়াহুড়ো কেন?
ধীর স্থির হয়ে,পরিকল্পনা মাফিক এগুনো যায়না?
কি বলব,অধম আমি,কাঙাল আমি।আমার অনেক কথা বলার আছে,তাই কখনই বলবনা যে,"আমার বলার কিছু ছিলনা"।
অনেক কথা বলার আছে,কেউ শুনক না শুনক,"আমি বলব নানা ছলে"।
কোকিল গান করবে,কেউ যদি না শুনে কোকিল কি রাগ করে?শুনানোর জন্য কত কৌশল, ছল অবলম্বন করতে হয়,লুকোচুরি খেলতে হয়।এ লুকোচুরির কথা কাউকে কি বলা যায়?
যদি কোথাও না লিখতে পারি নিষেধের বিধিনিষেধে- তো আমার নিজের জায়গায় দাড়িয়ে বা বসে লিখব।
সমস্যা আছে??
এতক্ষণ যে বকবকানিটা করলাম সেতো শুধু ভূমিকা।
অনেকটা পথ আরও রয়েছে যে বাকি।
----৩০/০৩/২০১৯