জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আপনাদের অনেক রকম চিন্তা থাকতে পারে।তবে আমার চিন্তা হলো ভোট ঠিকমত দিতে পারব কি না! জাতীয় নির্বাচন এক ধরনের সর্বজনীন উৎসব।আমাদের এই বিবর্ণ জীবনে উৎসবের বড়ই ঘাটতি রয়েছে।যে কারণেই হোক সারাদেশে ত্রাসের রাজত্বের বিস্তার ঘটছে।প্রতিনিয়ত প্রার্থীদের ওপরে যে হামলা হচ্ছে তাতে ভোট দেওয়ার আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে যাচ্ছে।বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরি।বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা হামলা মামলার শিকার হচ্ছে কিন্তু দেশের চলমান প্রশাসন নিশ্চুপ থেকে যেন এর বৈধতা দেওয়ার চেষ্টাতেই আছে।কিন্তু আমরা তো এরকমটি চাইনি।ভোটের আর মাত্র ১৫ দিন বাকি আছে এর মধ্যে যদি বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন না হয় তবে তরুণ প্রজন্ম ভোটে আগ্রহ হারাবে।ভোটকেন্দ্রিক সকল সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।হাঙ্গামা বন্ধ করতে হবে।প্রতিকারের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াটা জরুরি।সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে তৎপর হতে হবে।আমরা শৈশবে ড.কামাল হোসেনকে চিনেছি একজন বুদ্ধিজীবী হিশেবে।যিনি সংবিধান প্রণয়ন করেছেন।অথচ ন্যাক্কারজনকভাবে তার ওপরও হামলা হয়েছে।কিন্তু এত এত হামলার পরেও দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ সরকারকে নিতে দেখিনি।নির্বাচন কমিশনও এ ব্যাপারে নিশ্চুপ।এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কিসের ভরসাতে যাব ভোটকেন্দ্রে?হাতুড়ি,হেলমেট নিয়ে আমাদের ওপর হামলা হবে না এর নিশ্চয়তা কে দেবে?

দয়া করে আপনারা এই অপরাজনীতি বন্ধ করুন।জনগণ কাকে ভোট দেবে এটা জনগণ ঠিক করবে আপনারা বলে দেওয়ার কে?আপনাদের অভিনয় ভাল লাগলেই আপনাদের ভোট দেব না।বরং চলমান সহিংসতা বন্ধে আপনাদের কি ভূমিকা সেটার উপর ভিত্তি করেই ভোট দেব।ভোট দেব দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখে।নির্বাচনে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা না করাটাই ভাল হবে।