তারুণ্য ব্লগে ভাল লেখাটাই চাই
নিজে পারি না তবে অন্যের থেকে পাওয়ার আশা করি।এটা ঠিক নয়।তারপরও আমার স্বভাবটাই এরকম।নিজে ভাল লিখতে পারিনা, না গল্পে না কবিতায়! অথচ আমি চাচ্ছি তারুণ্যের লেখকেরা ভাল লিখুক।কবিতা পড়ে মনে হবে এটাই তো চাইছিলাম।গল্প পড়ে মনে হবে বেশ তো।আমি এ ধরনের লেখা চাই।অথচ নিজে এরকম লিখতে পারি না।তবে এটাকে আমি অপরাধ বলব না।মধুর সমস্যা।নতুন লেখকদের থেকে তাই আশাটা একটু বেশি করে ফেলি।যারা পুরাতন হয়ে গেছেন তাঁদের কাছে চাই তাদের ভাল লেখাটা।নতুন কেউ ব্লগে যখন যোগ দেয় তখন তাঁদের লেখাগুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করে দেই।তাই নতুনেরা লেখা জমা দিলে একটু সময় নিয়ে দেখি।এতে যে ব্লগের সদস্যরা বিরক্ত হয় সেটা বুঝি।তারুণ্যে প্রত্যেকটা মোডারেটরই এই সময়টুকু নিয়ে থাকে।তবে সুখবর হলো,প্রথম তিনটে লেখায় এই কঠোরতা।তারপর থেকে আর সেটা নেই।বানান ভুল হল কিনা,ছন্দবদ্ধ কবিতার ছন্দের প্রভাবটা কেমন,লেখাটার নাম নির্বাচন ঠিক আছে কিনা,বিষয়শ্রেণি ঠিকভাবে নির্বাচন হয়েছে কিনা,গল্পের শিরোনামে নিজের নাম চলে গেল কিনা এরকম ক্ষুদ্র জিনিসগুলো দেখতে হয়।রাজনৈতিক ও ধর্ম বিষয়ক লেখাগুলোতে আলাদাভাবে নজর দিতে হয় কারো অনুভূতিতে আঘাত লাগল কিনা।তারুণ্যের পরিবেশ যাতে কলুষিত না হয় সেদিকে নজর রাখা।সর্বোপরি ভাল লেখাটাই চাই।এতে আপনি রাগ করুন আর যাই করুন।গঠনমূলক সমালোচনা করব সেটা অবশ্যই ভালভাবে নিতে হবে।আমি ভাল লিখতে না পারলেও পাঠক হিশেবে মন্দ নই।সকলের কাছে আহ্বান হল- লেখা প্রকাশের আগে নিজেই যাচাই করে নিন কোন ভুল করে ফেললেন কিনা।ভুল করলেই যে লেখা মুছে ফেলা বা ব্যান করা হবে এমন নয় বরং আপনাকে ভুল শুধরানোর পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে।সুতরাং কাঙ্ক্ষিত লেখাটা লিখে ফেলুন।তারুণ্যের লেখক ও পাঠকদের জন্য রইল শুভকামনা।
মন্তব্য (9)