একাত্তরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অন্যতম কারণ আদর্শিক।আমরা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরও যেমন ঘৃণা করবো ঠিক একশত বছর পরও তেমনি ঘৃণা করবো।তারা কখনো তাদের ভুল স্বীকার করে নি।তাই বলে আফ্রিদিরা বাংলাদেশকে তাদের দ্বিতীয় আবাসস্থল বললেও আমাদের পুলকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।বরঞ্চ ঘৃণার পারদ আরো একটু ভারী হলো।রমিজ রাজা এবং শহীদ হোসেন আফ্রিদিরা একই চেতনাকে ধারণ করে।তারা খেলার মাঠে খেলা করতে এসে সারিবদ্ধভাবে যে সংগীত গেয়ে থাকে সেটা তারা তাদের ভিতরে ধারণ করে।তারা এসে হল্যান্ডের জাতীয় সংগীত গায় না,তাদের হল্যান্ডের পতাকাও বহন করে না।তারা পাকিস্তানের পতাকা বুকে ধরে অশ্রুশিক্ত হয়।তারা মনে প্রাণে বাংলাদেশকে ঘৃণা করে।বাংলাদেশের কিছু মানুষ আফ্রিদিকে নিয়ে যেরকম উৎসাহী সেটা স্বাধীনতার এতো বছর পর কোনভাবেই কাম্য ছিলো না।বাঙালিদের উপর যে সেনাগুলো গুলি চলিয়েছিলো তারা ব্যক্তি ছিলো।তারা প্রত্যেকে ব্যক্তি ইয়াহিয়ার মতো ছিলো।আমি ওইসব ব্যক্তিদের যেমন ঘৃণা করি ঠিক তেমনি ক্ষমা না চাওয়া,অনুশোচনায় না ভোগা,আত্মপরিশোধনের চেষ্টা না করা হাসান আলি,রমিজ রাজা,শহীদ হোসেন আফ্রিদিদেরকেও ঘৃণা করি।পাকিস্তানের প্রতিটি অংশকে ঘৃণা করি।যতদিন তারা জাতিগতভাবে ক্ষমা না চাইবে,আত্মপরিশোধনের চেষ্টা না করবে ততদিন ঘৃণা করে যাবো।অনেকে ভারতকে ঘৃণা করতে বলেন পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে অথচ তাদের জানা উচিত ভারত আর পাকিস্তান একদেশ নয়,এক জাতি নয়।আপনি ভারতকে ঘৃণা করেন সেটা আমার ধর্তব্যের মধ্যে না,তবে আপনি যদি ভারত ঘৃণার নামে পাকিস্তান প্রীতি দেখান সেটা লজ্জাজনক।
আপনি জাতি হিশেবে পাকিস্তান ঘৃণা বাদ দিতে পারেন না।পাকিস্তান সরাসরি আমাদের শত্রু দেশ।তাদেরকে ঘৃণা করতে হবে,তাদের ভূখন্ডকে ঘৃণা করতে হবে,অনুশোচনায় না ভোগা প্রতিটি ব্যক্তিকে ঘৃণা করতে হবে।
পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেটদল তাদের দেশকেই ধারণ করে,তাদের সংস্কৃতিকে ধারণ করে।সুতরাং যারা বলেন যে খেলার সাথে রাজনীতি মেশাবেন না তারা ভুলের সাগরেই আছেন।পাকিস্তানের ক্রিকেট দলকেও ঘৃণা করতে হবে।
স্বাধীনতার এতো এতো বছর পরও একটা প্রজন্মকে আফ্রিদি প্রীতি থেকে দূরে রাখতে পারিনি এজন্য জাতি হিশেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।এখনই সময় পাকিস্তান তথা আফ্রিদিদেরকে ঘৃণা করা।