শত শত শিক্ষার্থীরা নগরীর রাস্তাতে জমায়েত হল শুধুমাত্র বাঁচার আশায়।তারা বাঁচতে চায়,নিরাপদে বাঁচতে চায়।দুইদিনের ব্যবধানে কিশোর বিপ্লব ঘটে গেল সারাদেশে।অথচ আমি এই কিশোরদেরকে ফেসবুক,ইউটিউব,মেসেঞ্জার ছাড়া কল্পনাও করতে পারতাম না।তারা দেখিয়ে দিল যে,আমরাও পারি।প্রয়োজনে আমরাও ঘটিয়ে দিতে পারি বিপ্লব।সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারি আঠারোর চেতনা।২০১৮ তে এসে কেউ যদি বলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মারা গেছেন ,তাকে আমি আমি রাস্তায় এনে দেখাব শত শত মুজিবকে।শত শত মুজিবের স্লোগানে মুখরিত নগরীতে মুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকা ছাড়া তাদের কোন উপায় থাকবে না।আমি সরকারের কাছে আবেদন করব, একটা পাঠ্যবই চালু করুন যার নাম থাকবে 'বঙ্গবন্ধু' ।এটা পড়ে সবাই মুজিবের চেতনাতে দেশ গড়বে।অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে।রাষ্ট্রীয় গোড়ামীকে সংস্কার করবে।অযোগ্য শাসককে নামিয়ে আনবে মসনদ থেকে ।অযোগ্য শাসকের স্থান হবে অন্ধকারে ,যেখানে তাকে ছুঁড়ে ফেলা হবে।শত শত মুজিবের কণ্ঠে তখন ভেসে আসবে, এবার সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।যেটা শুনে পিলে চমকে উঠবে অত্যাচারী শাসকের।যেটা শুনে রাতের ঘুম হারাম হবে স্বৈরাচারী সরকারের।যেটা শুনে মুখ ফসকে বের হবে অর্বাচীনের বুলি।যেটা শুনে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে আর মুখে লেগে থাকবে হায়েনার হাসি।

রাজপথে স্লোগান দেওয়া একেকটি মুজিবকে মনে হবে এইতো বাংলাদেশ।এঁরাই তো সংস্কার করবে ঘুঁণে খাওয়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে।ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ,প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ,সরকার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করবে আজকের এই কিশোর বিপ্লবীরা।সেদিন আর বেশিদূরে নয়।যেদিন কয়লা খনির কয়লা গায়েব হবে না,সোনা তামা হবে না,দেশ হবে না তলাবিহীন ঝুড়ি,শতকোটি টাকা ব্যাংকে থাকবে বহাল তবিয়তে।সেই দিন আসছে।অত্যাচারীরা তৈরি থেকো...


কলমে - কামরুজ্জামান সাদ