দশ বছরের বিবাহিত জীবনে শেফালি পাঁচটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দিয়েছে। ছেলে সন্তানের জন্যই এ অপকর্মটি করেছে তার স্বামী রহিম বক্স। বংশের বাতি জন্ম দিতে পারলো না বউ। সব দোষ যেন শেফালির। তাই, শাশুড়ির গঞ্জনা নিত্যদিনের। নিরুপায় শেফালির সম্মতিক্রমে তার স্বামী দ্বিতীয় বিবাহ করে রহিমাকে শেফালির সতিন হিসেবে ঘরে তুলেন। গরিব ঘরের মেয়ে রহিমা বড় বোনের শ্রদ্ধায় শেফালিকে কদমবুছি করে এবং তার বুকে মাথা রেখে কাঁদতে কাঁদতে ঘরে প্রবেশ করলো।

কালের নিয়মে দুজনেই পোঁয়াতি হলো। রহিমার ঘর আলো করে এলো একটি কন্যা সন্তান আর শেফালির ঘরে জন্ম নিলো কাঙ্খিত ছেলে।