সে
তাঁকে
আড়াল
করেছিলো
ভালোবাসায়।
উচ্ছাসে, আনন্দে।
উৎসবে, বেদনায়।
জমে থাকা মেঘ থেকে
ঝরে পরা জলের মতো
ঝরে ঝরে,ভিজিয়েছে কতো,
আপাদমস্তক নিজেকে। কেন
যেন সে ফিরেছিল প্রেমের রাজ্যে
ফের। একদা যেখান থেকে স্বেচ্ছায়
নির্বাসনে গিয়েছিলো প্রিয়তমা সুর।
সেখানে ফিরেছিল,বেঁধেছিল আলিঙ্গনে।
তারপর জন্ম হয়েছিল এক নদীর,
দু’কুল কাঁপিয়ে ভেঙ্গে চুড়ে বহমান।
পাড় ভাঙ্গার অকল্যাণ শব্দে জ্ঞান
ফিরে পেয়ে আলগা হোল হাতের
বাঁধন। ফিরে গেল নিজ ভুমে।
জমে থাকা মেঘ থেকে ঝরে
পরা জলে ভিজে নিজেকে
আড়াল করে আবার।
উৎসবে, বেদনায়।
উচ্ছাসে, আনন্দে।
ভালোবাসায়।
প্রিয়তমা
আমার
উমা
সে।
দ্রষ্টব্য : 'অবরোহী পঞ্চদশ' এমন এক ধরণের কবিতা ,
যেখানে লাইনের সাথে বর্ণের সংখ্যা সমান থাকে অর্থাৎ ১
ম লাইনে ১ টি বর্ণ , ২য় লাইনে ২ টি বর্ণ, ৩য় লাইনে ৩ টি বর্ণ .......
এভাবে ১৫ তম লাইনে ১৫ টি বর্ণ নিয়ে মোট ১২০ টি বিদ্যমান ।
একে পিরামিডীয় স্টাইল ও বলা হয়ে থাকে
এর বিপরীত হল আরোহী পঞ্চদশ।
এখানে আমি অবরোহী এবং আরোহী দু' টো ধারা একসাথে ব্যাবহার করেছি।
বলা যেতে পারে, " অবরোহী এবং আরোহী যুগলবন্দী"।
মন্তব্য (15)