আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে,তোমাদের গোপন
চাহিদার যোগান দিচ্ছে যেসকল মেয়ে মানুষ তাঁদের
জন্ম হয়েছিল কোথায়।বিবেকের দরজা খুলে একবার
প্রশ্ন করে দেখো,উত্তর টা তোমাদের জানা।তোমরা বলবে
না,একবিংশ শতাব্দির প্রারম্ভে দাঁড়িয়ে আর কিছু না
জানলেও,প্রকাশ্যে নিজেদের বিবস্ত্র হওয়া টা ঠ্যাকাতে শিখেছ।


আমি এই শহরের অলিতে গলিতে ঘুরে দেখেছি,পেটের
তাগিদে কিভাবে নিমিষেই ষোড়শী হয়ে উঠছে মেয়ে
শিশুরা।রাতের আঁধারে ওরা যেন আগুন জ্বালা পরী।
অন্ধকারে তাদের দেহ নৃত্য করে কামুকের চোখে।ওদের
ঈষৎ উষ্ণ নরম পেলব শরীর পিষ্ট হয় তোমাদের গোপন
চাহিদার তলায়।রাতের সহস্র নক্ষত্রের আলোতে আমি দেখেছি
ক্রুর যৌবনের খেলা।


আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে,দিনের আলোয় ওই সব
মেয়েদের নিয়ে তোমরা কি কর।তোমাদের কাছে ওরা
নিশ্চয়ই অস্পৃশ্য।তোমাদের কষ্টার্জিত সভ্যতার বিচারে তারা
গোপন রোগজীবাণুর ভাগাড়। নিপুণ যাদুগরের মতো তাদের
অদৃশ্য করে রাখো তোমাদের জীবন থেকে, যেন তারা তোমাদের
ক্রমবর্ধমান চোদ্দ কোটির কেউ নয়।


আমার ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে ওরা যারা তোমাদের
গোপন চাহিদার সঙ্গি,ওদের মধ্যে কেউ কি মালতী?আমার
জানতে ইচ্ছে করে।মালতী একটি পাখী,শালিখ, চড়ুই, টিয়া,
দোয়েল, এই রকম ছোট্ট ডানার। “আমি জাইতাছি গা” বলে
মিশে গিয়েছিল তোমাদের চোদ্দ কোটির ভিড়ে।এর পর সে
আর ফিরে আসেনি।মালতীরা ফিরে আসে না।