পৃথিবী সব সময় উল্টো নিয়মে ঘোরে মানুষের মনকে শান্ত করার ক্ষমতা রাখে না। সহনশীলতা সম্প্রীতি বিশ্বাস এগুলো যেন পৃথিবীর কাছে অনেক বড়ো শত্রু হয়ে গেছে! বিচক্ষণতার সঙ্গে কোনো সৎ কাজ করলে সেটা কোনোদিনই পৃথিবী স্বীকৃতি দেয় না। কারণ পৃথিবীর মানুষ গুলোও যেন তার সাথে তামাশা করছে। অন্ধের দেশে যেমন আয়না বিক্রি করা যায় না, তেমনই বিস্ময়কর ব্যক্তিদের আপন হওয়া যায় না। পৃথিবীর প্রতেকটা মানুষ একটা নকশার কারিগর শীর্ষক ইনস্টলেশন আর্ট-এ বিশ্বাসকে প্রত্যাখান করছে। কাছে টেনে নিচ্ছে ভৃত্য সৃজনশীল অটোগ্রাফ। সঠিক মুক্তা যেমন নতুনদের কাছে একটা সাধারণ পাথর মনে হয়। ঠিক তেমনই অবিশ্বাসের কাছে বিশ্বাস মিথ্যারোপ হয়ে যায়। এই পৃথিবী বড়ো হতো ভাগা নিজেকেই আজো চিনতে পারলো না। বুঝতে পারলোনা নিজের অস্তিত্বকে তা না হলে একই পৃথিবী একই জায়গা একই মানুষ, অথচ তার ভিতর কতো মিথ্যার লীলা খেলা, এই জায়গায় রাত হয় আবার অন্য জায়গায় দিন এটা তার চেতনার ছল না-তো কি? তার ইচ্ছে করে এই খানে আলো দিবে তাই সে নিজে ঘুরে গিয়ে সূর্যের সান্নিধ্যে দাঁড়ায়। তার আলোর প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় তাই আবার সে চাঁদের কাছে হাত বাড়ায়। এটা তার মন গড়া কি নয়? আমরা বুদ্ধিহীন মানব জাতি! এতো অন্যায় অত্যাচার সহ করে পৃথিবীকেই আরাধনা করি। অবশ্যই করার কিছু নাই নিরুপায় হয়ে তাঁকেই আবার নমঃ নমঃ করতে হয়। আমরা যে পৃথিবীর কাছে ওয়াদা বদ্ধ ! সে দিন হবে আবার নিজেই নিজে ঘুরে আমাদের অন্ধকারে রাখবে এটা সকলেই মেনে নিয়েছে। কিন্তু এটা ধীরে ধীরে ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে এই পৃথিবী ছলছুতা করে করে গরমের উত্তাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিজে যা ইচ্ছে তাই করবে এটা উচিৎ না। মানুষদের মিথ্যে অপবাদ দিবে, যে তারা গাছ কেটেছে, গাছ লাগায় না সবুজের বুকে অক্সিজেন প্রভাহিত বেশি হয়। এগুলো সম্পুর্ণ পৃথিবীর বাহানা তার খেয়ালি পানার কারণে আজ এতো সমস্যা। তার বুঝতে হবে যে তার অস্তিত্বে মানুষ থাকে আর মানুষ কখনো তার ক্ষতি চাবে না। কারণ তাঁকে ঘিরেই মানুষের বসবাস।
পৃথিবীর গোলযোগ
✍️জে এস এম অনিক
১৬/০৫/২৪
মন্তব্য (6)