১)
কাল সারারাত গল্প করেছিলাম 
মোমবাতির প্রজ্জলিত শিখায়;
খোলা বারান্দায় চাঁদ ও এসেছিলো 
জোসনাকে নিয়ে,

তারপর চুপিসারে স্বপ্ন এলো নিদ্রাকে জানিয়ে 
আরও প্রাঞ্জল করে,

ঘুম ভাঙলো যখন...
কেউ নেই... কেউ নেই আজ 
সবাই ফিরে গেছে- একদা যারা এসেছিলো,

এখনো পড়ে... এই সেই খেলার মাঠ
যেখানে ওরা খেলেছিল... আমিও ছিলাম;
ভিজে যাওয়া স্কুলবাড়ি আরও পুরানো,

ছাদে এখনো কিছু শুকনো পাথর 
লাইব্রেরী হারিয়েছে সব বই-খাতা-কলম...
রয়েগেছে " চিত্ত যেথা ভয়শূন্য ..." একটা ছেড়া হলুদ পাতা ।

২)
ইতস্তত ছড়ানো মর্টার 
ভেঙে পড়া সব রেলিং... চাঙড়ে 
অক্ষত সব চাপা গুঞ্জন; কান্নার ডাক -

বুলেট ছুয়ে গেছে সব; যা যা ছিল কাল,
বুলেট লিখে নিয়েছে যা নাম...
 সব আজ জঞ্জাল;

দেওয়ালের শরীরে জমানো বুলেটের 
চিহ্নিত সব অভিমান...

যদিও দেওয়ালেরা আজ কালো ॥

৩)
বৃষ্টি..

বৃষ্টি ধুয়ে দিয়েছে সব 
মুছিয়ে দিয়েছে সব..
যা ছিল রক্তের দাগ,

তবু মৃদু সমীরণ..
বাতাসে এখনো টাটকা কিছু 
রক্তের ঘ্রাণ,

পানাহীন পুকুরটা আজ কালো... ;
অতলে ঘুমিয়ে আছে এখনো 
পাথর বাঁধা  কিছু কঙ্কাল,
 
৪)
দিন শেষ হয়... 
রোদ পরিযায়ী হয় ঘুমের দেশে 
ফিরে যায় পাখিরাও... ;

আরও নিস্তব্ধ হয় সেই প্রান্তর,

শুধু জেগে আছে অপরাহ্ন আর
আজ আমি -