একটা ভালো স্ক্রিপ্ট আছে আমার কাছে, কিন্তু বলুনতো মশাই- একজন ভালো ডিরেক্টর কোথায় পাই? আশাহত যুবক ভাবে আর প্রথমে নিজেকে প্রশ্ন করে! আদৌ কি একটা ভালো স্ক্রিপ্টের কোন মূল্যায়ন আছে? থাকলেও কে প্রযোজনা করবে এই ভালো মানের থিমটি নিয়ে? কার ব্যানারেই বা বাজারে আসতে পারে এটি নাটক, টেলিফিল্ম বা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে হয়ে? যুবক প্রশ্ন করে নিজেকে। কারন এটি তার এক অনবদ্য সৃষ্টি, সারা জীবনের সাধনা, সৃষ্টিশীল এক রচনা। তবে কি কোন প্রকাশক এগিয়ে আসবেন লেখকের এই স্ক্রিপ্টটি বই আকারে বাজারে নিয়ে আসবেন। নাকি প্রকাশকও ছলচাতুরী খেলবেন নিস্পাপ এই লেখকের সাথে? যুবক ভাবে আর নিজেকে প্রশ্ন করে! চারিদিক থেকে কেমন যেন এর সোজাসাপ্টা কোন উত্তর মিললনা। তারপর যুবক ভাবে- ''দেশ নাকি অনেক এগিয়ে গেছে, নাহ ডিজিটাল দেশের ইন্টারনেট নিয়ে একটু ভাবি দেখি এর কোন উত্তর মেলে কিনা''। হ্যাঁ, অবশেষে মিলল। যুবকটির অনবদ্য এই সৃষ্টি, তার স্ক্রিপ্টার উপর একটা বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র বাজারে আসছে। অথচ সে কিছুই জানে না। না, তার কোন অনুমোদনও নেই। অবশ্য তার না জানারই কথা। এতদিনে ডিজিটাল এই দেশে তার থিমটা চুরি হয়ে গেছে। সংশ্লিস্ট সবাই এর মাধ্যমে তাদের কাঙ্খিত লক্ষমাত্রা অর্জন করেছে শুধুমাত্র লেখক ব্যতীত। এবার লেখক আশাহত, আশাহত এই যুবকটি। মনের ক্ষোভে সে উদাস দৃষ্টিতে ঝর্ণার পাশে বসে আকাশে পানে চেয়ে থাকে আর ভাবে এসব কি? এই কি আমরা চেয়েছিলাম? তবে না চাইতেই যা পাচ্ছি এটা কি অতিরঞ্জিত নয়? কে আছে এই সব দেখার কিংবা বিচার করার এই দেশে? নাহ!‍ যুবক বছরের পর বছর ঘুরেও এই দেশে এর প্রতিকারের কোন সঠিক অথরিটি খুজে পেল না। যুবক আশাহত হয়ে ভাবে এই দেশে নতুন কোন উদ্যোগ কখনোই সফল হবে না কারণ, সবকিছুই এখন পুঁজিবাদীদের হাতে। তবে সৃষ্টিশীলতা? হ্যাঁ তাও। ওরা যদি গরুর খাবার ভুষিতে রং মেখে বলে এটা অমুক ব্রান্ডের খাঁটি হলুদ তাহলে সেটাই সঠিক...