হে নারী! হে আমার ভালবাসা। হে আধাঁরের সন্ধ্যাঁ প্রদীপ। হে অন্ধকারের আলোকবর্তিকা। তুমিহীনা এই জাগতিক সব মোহ আমার কাছে একদমই মিছে। তুমি বেঁচে থাকার এক অমলিন উদ্দীপনা। কাছে থাকার এক আহ্লাদি ছেলেপনা। এত নিয়ামতের মাঝেও তুমি এক অনন্য নিয়ামত, খোদার দান। হে সুচিস্মিতা, তোমার ঠোটের কোনে একটু হাসি দেখব বলে অধীর হয়ে আছি, তোমার সেই হাসিমাখা মুখটুক আমার স্মৃতির অমলীন কোঠায় ভরে আমি বাঁধ ভাঙ্গা উষ্ঞ উচ্ছাস নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ব।  




হে নারী, হে মহিয়সী, হে অনন্ত যৌবনা। চির বহতা নদীর মত বয়ে গিয়ে সমুদ্রের বিশালতায় মিশে যাও। আমি জোস্না বিলাব তোমার বুকে। আকাশের অসীমতায় মিশে গেলে পর্বত হয়ে তোমাকে পেতে চাইব, শিহরন জাগাব। শিহরনের সেই আহবানে সাড়া না দিয়ে তুমি পারবে কি বল। হে নারী, শিহরনে শিহরিত হও, আন্দোলনে আন্দোলিত হয় আর ব্যাকুল এ হৃদয়কে কর ধন্য, তোমার স্বর্গসুধা পিলায়ে।

হে নারী, হে কবিতার ছন্দ। হে মহাকাব্যের ধারক। হে স্বর্গরানী। তোমার আকুলতা আমাকে এ্ত.. এত মুগ্ধ করে যে, তোমাকে নিয়ে আমি যা ভাবি তা লিখে মেষ করতে পারি না। হ্যাঁ, তাইতো সব কিছু ফুরিয়ে যাবে কিন্তু প্রিয়ার কোমলতা আর আলতো ছোঁয়া সেতো ফুরিয়ে যাবার নয়। সেতো অমলিন, চির ভাস্কর সে অফুরান।

হে কবিতাসখী, তোমার আলতো আদরে আলোকিত কর এ ব্যাকুল হৃদয়কে। আন্দোলিত রেখো আমাকে, ঞ্যাঁ এই আমাকে আর তৃপ্ত থেকো তুমি যে সামান্যই দিতে পারি তোমাকে। আমার কুড়েঁ ঘরটি হলে সণ্ধ্যাঁ প্রদীপে আলোক দিও তবে তোমার হৃদয়কে আলোকিত করব আজীবন।।