সরকারি দলের নেতা
রস+আলো: আপনি আন্দোলনের বিরোধী কেন?
সরকারি দলের নেতা: কারণ, আমি সরকারি দলের লোক।
র.আ.: আন্দোলন নিয়ে কিছু বলুন।
স.নে.: আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে ওরা গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত করছে। জনগণ ওদের ছাড়বে না।
র.আ.: কী করলে সারা জীবন গণতন্ত্র ঠিকঠাক থাকবে?
স.নে.: সারা জীবন আমরা ক্ষমতায় থাকলে।
র.আ.: তার মানে গণতন্ত্র হলো আপনাদের ক্ষমতা?
স.নে.: আপনি বুদ্ধিমান। চলেন, আন্দোলনকারীদের তাড়িয়ে দেশে গণতন্ত্র মজবুত করি!
বিরোধী দলের নেতা
রস+আলো: চলমান আন্দোলন নিয়ে কিছু বলুন।
বিরোধী দলের নেতা: এই আন্দোলন কঠোর আন্দোলন, এই আন্দোলন ‘ঈদের পর’ মানে না।
র.আ.: কিসের জন্য এই আন্দোলন করছেন?
বি.নে.: অবশ্যই আমাদের নেত্রীর মুক্তির জন্য।
র.আ.: নেত্রীকে তো সেদিন অবরুদ্ধ করল, তার আগে কঠোর আন্দোলন কিসের জন্য ছিল?
বি.নে.: সমাবেশ করার অনুমতির দাবিতে ছিল।
র.আ.: তার আগে কিসের আন্দোলন ছিল?
বি.নে.: নেতাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলন।
র.আ.: এর আগে কিসের আন্দোলন ছিল?
বি.নে.: গণতন্ত্র, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন।
র.আ.: আপনাদের আন্দোলনে জনগণের কথা বলা হচ্ছে?
বি.নে.: হচ্ছে তো! সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নেতারা মিডিয়াতে বলছেন, ‘জনগণ আমাদের সাথে আছে!’ শোনেননি?
র.আ.: তাহলে দেশে গণতন্ত্র নেই?
বি.নে.: না, নেই! সরকার পুরো বিশ্ব তছনছ করে দিচ্ছে। পুরো বিশ্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার।
র.আ.: কী করলে এবং কবে গণতন্ত্র ফিরে আসবে
বলে আপনার ধারণা?
বি.নে.: যেদিন আমরা ক্ষমতায় যাব, সেদিন।
র.আ.: তার মানে আপনাদের আন্দোলন ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য?
বি.নে.: আপনি বুদ্ধিমান। আসেন, আন্দোলন করি। জনগণ আমাদের সাথে আছে।
কালেক্টেড ফরমঃ রসআলো
মন্তব্য (17)