গতকাল ছিল পহেলা বৈশাখ। আবহমান বাংলার চিরন্তন উৎসব। বাঙালি মেতে ছিল নানা রঙে। ছোট বড় হিন্দু মুসলিম জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মিলিত হয়েছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায়। যেখানে নারী শিশু পিতা মাতা সকলেই উৎসব মুখর পরিবেশে বরণ করেছে বাংলা নববর্ষকে।
আর গতকালই এই উৎসবকে কতিপয় জারজ বাঙ্গালির অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আঘাত করে সেখানে ঘুরতে আসা নারীদের প্রতি নজিরবিহীন যৌন সন্ত্রাসী আক্রমণ সংগঠিত করেছে। অর্থাৎ ধর্ষণ করতে চেয়েছিল তা না পেরে সেই নারীদের বিবস্ত্র করেছে। হাজার হাজার মানুষ ছিল কাল ওখানে কিন্তু কেউ প্রতিবাদটুকু করেনি। করেছে সেই বিপ্লবীদের লড়াকু সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।
যা তার প্রতি ইতিহাসের অর্পিত দায়িত্ব। যারা সারা পৃথিবীর মানুষের অন্যায় অনাচার বৈষম্য নিপীড়িত লাঞ্ছিত মানুষের কথা বলার জন্য সর্বদা নিজেকে শত লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে তিলে তিলে তৈরি করেছে। সেই ছাত্র ইউনিয়ন আজ সকালে এই নারীর প্রতি শ্লীলতাহানি প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে।
পরে এক সংবাদ সম্মেলন করে প্রশাসনকে ৭ (সাত) দিনের সময় দিয়েছে। পরবর্তীতে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের বিক্ষোভ মিছিলের মধ্যে দিয়ে প্রতিবাদের যে ধারা শুরু করেছে তা শুধু মাত্র ছাত্রদের মধ্যে নয় জাগরিত করেছে সমাজের সকল মানুষকে। বিকালে বিক্ষুব্ধ নারী সমাজের প্রতিবাদী বিক্ষোভ সমাবেশের মধ্যে তা রূপ নিয়েছে আন্দোলনের নতুন মাত্রা। যা অব্যাহত থাকবে যতক্ষণ না অপরাধীদের বিচারের আওয়তায় না আনা হয়।
সেখানে আমি একজন সচেতন নাগরিকই শুধু নয় বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন এর একজন কর্মী হিসেবে উপস্থিত ছিলাম ও আমার বক্তব্যর মধ্যে দিয়ে ঐ কাপুরুষ জারজদের প্রতি আমার ঘৃণা প্রকাশ করেছি।
মন্তব্য (1)