আমাদের শরীরের অভ‌্যান্তেরে যেমন কোটি কোটি কোষ রয়েছে তেমনি রয়েছে প্রায় সমসংখ্যক অণুজীব। যেমন এসব অণুজীব আমাদের শরীরের ক্ষতি করে উল্টোদিকে এরা আমাদের উপকারও করে। এগুলো আমাদের মানসিক অবস্থা, দেহের ওজন, এবং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর প্রভাব বিস্তার করে। সঠিক ব্যস্থাপনার মাধ্যমে আমরা এগুলোকে আমাদের উপকারে লাগাতে পারি অন্যদিকে অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে বিভিন্ন অসুখ বিশোখের দিকে ঠেলে দিতে পারি। আমাদের দেশে সামান্য সমস্যা হলে মাত্রাতিরিক্ত ওষধ প্রয়োগে আমরা এগুলোকে শেষ করে দেই। যার ফলে আমাদের বিভিন্ন পরিপাক জঠিলতা , পাকস্থলী সমস্যা , কোষ্ট কাঠিন্য সহ অনেক জঠিলতা আক্রান্ত হই।

আমরা এগুলো মূলত মাতৃদেহ হতে পাই জন্মের সময়। স্বাভাবিক জন্ম হলে আর মাতৃদুগ্ধ পানে আমরা অনেক উপকারী জীবাণু গ্রহণ করি। সিজারিয়ান জন্ম হলে আমরা ভিন্নভাবে এগুলো পাই। প্রথম মুখ খোলার সাথে সাথে আমাদের শরীরে ভ্যকটেরিয়া প্রবেশ করে শ্বাস নেয়ার মাধ্যমে। সিজারিয়ান বাচ্ছাদের পায়খানা পর্যবেক্ষণে ভিন্ন ধরেনর এসব ভ্যকটেরিয়া দেখা গেছে। হার্ভর্ড স্কুল ওব পাবলিক হেলথ এর গবেষণা মতে সিজারিয়ান শিশুরা সাভাবিক জন্মনেয়া শিশুদের থেকে মোটা বেশী হয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিজারিয়ান শিশুর বেশী এলার্জিক সমষ্রা সহ বিভিন্ন সমস্যা হয়।