একটা ফর্সা ধবধবে মেয়ে।
পাশে কালো একটা ছেলে। খাটো, মোটা।

কিংবা, লম্বা স্লিম একটা ছেলে। তারপাশে,
খাটো একটা মেয়ে। কালোও বটে.....


স্বামি-স্ত্রী কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকা।
কি বাজে কম্বিনেশান!!

পাশ থেকে আমরা দর্শক, হোহো করে হাসি,
কেউ মুখ ভেংচাই।।


এই হাসির অর্থ হল, আমরা বেটে-মোটা অদ্ভুদ
জীবটাকে উপহাস করছি!!


ধরুন, আপনি কবি!
মনের মাধুরী মিশিয়ে কবিতা লেখার পর
আমি বললাম, ফাউল কবিতা!
খারাপ লাগবে না??



আপনি আর্টিস্ট। তুলির কোমল
আচড়ে সারা বিকেলজুরে একটা ছবি আকলেন,
আমি বললাম, ধুর, এটা কোন আর্ট!!
কেমন লাগবে??



বেটে দেখে যখন আমরা হাসি, কিংবা মটু
দেখে যখন মুখ ভেংচাই তখন বিধাতারও খারাপ
লাগে।


বিধাতা কিন্তু বলেন নি, ফর্সা, স্লিম, লম্বারাই
শ্রেষ্ঠ। কালো, মোটা, ইয়াবড় ভুড়িওয়ালাকেও
শ্রেষ্ঠ হিসাবে ঘোষনা দিয়েছেন।

কিন্তু আমরা যখন মুখ ভেংচাই, এটার আর
একটা মানে হল, কালো-টাকলু মানুষটাকেই শুধু
উপহাস করছি না, আমরা স্রস্টাকেও উপহাস করছি।


সৃষ্টিটা তার, অতএব উপহাসটা তার গায়েই
লাগে।


তবে পার্থক্যটা এমন,
খাটোরা লম্বাকে নিয়ে উপহাস করে না,
কিন্তু, লম্বারা খাটো দেখলে উপহাস করে!


কালোরা ফর্সাকে দেখলে হাসে না,
কিন্তু, ফর্সারা কালোকে দেখলে খাটাশের
মত দাঁত বের করে হাসে__

কালো মেয়েটা -গল্পের কয়েকটি লাইন.........