টুকরো কথা -৫
=====================@@@
(১) শ্রেষ্ঠ উপহার
সিক্ততার উষ্ণ পরশ
ভীষণ পছন্দ করতাম আমি,
হৃদয়ের পরম কাঙ্খিত ধন ছিলো
তন্দ্রালু সকালে জাগা
লকলকে ঘাসের ফুটফুটে শিশির কণা।
কোনদিন বলিনি এ’ কথা
কাউকেই না
তোমাকেও না
অথচ কি আশ্চর্য
ঠিকই জেনে গিয়েছিলে তুমি অবশেষে!
আজ পূরো পৃথিবীটাই আমি সিক্ত দেখি
উষ্ণ উষ্ণ
হিম হিম
দিয়ে গেছো বলে
ভালোবাসার শ্রেষ্ঠ উপহার হিসেবে
’শিশিরধারী ভ্রুলতায় জাগা টলটলে দু’টি আঁখি!’
(২) সুমধুর সুর
ঠুনকো বাঁশের কাঁচা বাঁশি যদি
দিতে পারে এতো সুর,
ভাবোনি গো কেন অস্ফুট কথা
তারচেয়ে সুমধুর!
(৩) অব্যক্ত পাণ্ডুলিপি
তার হৃদয়ের ক্ষয়িষ্ণু ভালোবাসা
এক সময় আমাকে জাতি হারা
মূর্তি বলতে শুরু করলো!
খুব কষ্ট হতো পরিত্যক্ত বৃদ্ধের মতো
ভগ্ন বুকের ক্রন্দন চেপে রাখা।
প্রতিউত্তর না দিয়েই সয়ে যেতাম
সইতেই হতো
কোন না কোন ভাবে
আধ পোড়া রুটির মতোন!
আজ অবহেলা নেই
নেই তালবাহানা,
আশা-নিরাশার দোলাচলে উড়ে না
ধড়ফড়ে ঘুড্ডি
তবুও তার তরে সৃজিত এক অব্যক্ত পাণ্ডুলিপি
মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে সব সময়
যেখানে অফুরান পাতায় শুধু
একটি বাক্যই লিখা -
’কালের বিবর্তনে অচল মূর্তিও
হতে পারে একদিন অমিয় রতন!’
Comments (2)
Only registered members can comment. Log in