প্রসঙ্গ : দুই নেত্রীর সংলাপে বসা
আজ কত দিন পার হয়ে যায় সংলাপ নামক শব্দটি আমাদের কান ঝালাপালা করে ফেলল। নাটক-সিনেমার সংলাপ না। আমাদের মুখের কথা বা সংলাপ না। দেশের প্রধান দুই নেত্রীর মূল্যবান মুখের মূল্যবান কথার সংলাপের কথা বলছি। তারা কেউ সংলাপ করছে না। একজন একটা বললে অপরজন তার ভুল ধরে উড়িয়ে দিচ্ছে। পরস্পরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছে। একজন একটা বললে অপরজন তা সংবিধানের দোহাই দিয়ে হোক বা অন্য কোন ছুতা ধরে তা মেনে নিচ্ছেন না। ফলাফল সংঘর্ষ আসন্ন। (পূর্বাভাস)। আমি বাংলাদেশের একজন্ সবচেয়ে বোকা হয়েও একটা সত্য উপলব্দি করতে পারছি যা দেশের অতি চালাকেরাও ধরতে পারছে না। এই চালাকের দলে আবার স্বঘোষিত বুদ্ধিজীবীও রয়েছে। যদিও তাদের বুদ্ধিমত্ত্বা নিয়ে প্রশ্ন আছে। আমার কাছে তাদেরকে আরো উপরের ধাপের মানুষ মনে হয়। তারা শুধু বুদ্ধিজীবী নয় তারা অবশ্যই বুদ্ধির ঢেঁকি। তা না হলে কি মনে করছেন আমরা এসব কিছুই বুঝি না? আমাদের বাচ্চা পেয়েছেন? সংলাপে বসবে কিভাবে? কারণ কেউ তার নিজের স্বার্থ ছাড়তে রাজী নয়। কারণ টার্গেট একটাই একজনের ক্ষমতায় যাওয়া ও অপরজন ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখা। ক্ষমতা বলে কথা। দেশের মানুষ জাহান্নামে যাক তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। নিজেরা ক্ষমতায় থাকতে পারলেই হলো। একজন সংবিধানের দোহাই দিচ্ছেন ও আমাদের বুঝাতে চাইছেন যে সংবিধানের জন্য মানুষ, মানুষের জন্য সংবিধান নয়। এটা অকাট্য, অমার্জনীয়। এতে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন কিছুই চলে না। (ক্ষমার সাথে )
আজ দৃপ্ত কণ্ঠে বলতে চাই যে আজ সংবিধানের অযুহাতে এসব বলছেন, জেনে রাখুন, নিজকে ক্ষমতায়নের সংবিধান নিজেই প্রণোয়ন করেছেন। ভুলে যাবেন না মরতে হবে। সামনে কবরের আযাব, ফেরেস্তারা মোবাইল ফোন ব্যবহার করে না, আযাবের কিছু ফেরেস্তা আছে এরা অন্ধ, বধির এরা আল্লাহর হুকুমে শুধু আযাব দিতে জানে। ক্ষণিকের ক্ষমতার লোভকে বিসর্জন দিন। বৃহত্তর জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিন। আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে এই চিন্তাকে মাথায় রেখে কাজ করার উদাত্ত আহবান রইল। ধন্যবাদ
মন্তব্য (4)