বাংলা ও বাঙালীর প্রয়োজনে শিল্পের তাৎপর্য সম্পর্কে আমরা যখন নিতান্ত জ্ঞানপাপীর ভূমিকা পালন করি তখন একজন প্রকৃত আন্তর্জাতিক বাঙালীর জীবন আমাদের সচেতন কিংবা অবচেতন মনকে আলোড়িত করে - যে আলোড়ন আজ সত্যিই খুব জরুরী, অন্ততঃ যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করবে – এই আশায় বুক বেঁধে।
-------------------------------------------------
“I have no sense of success on any large scale in things achieved … but have the sense of having worked and having found happiness in doing so.”
- Acharya Prafulla Chandra Roy
(02.08.1861 -16.06.1942)
-------------------------------------------------
আধুনিক ভারতীয় রষায়ন শাস্ত্রের জনক আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করতেন। তাঁর হগরের আসবাব বলতে ছিল একটি লোহার খাট, একটি ছোট টেবিল, চেয়ার আর বই ভর্তি একটি আলমারি। তাঁর অতি সাধারন জীবন যাপন সম্পর্কে মহাত্মা গান্ধী একবার বলেছিলেন – ‘It is difficult to believe that the man in simple Indian dress wearing simple manners could possibly be the great scientist and professor.’ দুই খন্ডে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী ‘Life and Experiences of a Bengali Chemist’ তে নিজের জীবনকে যেমন চিত্রিত করে তুলেছেন তেমনি তুলে ধরেছেন তৎকালীন সময়ের মেধা বিপ্লবের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা। চিরকুমার এই মহান ব্যক্তিত্বের জীবনের প্রতিটি দিক আজও অনুপ্রানিত করে বা করতে পারে আবালবৃদ্ধবনিতাকে।
আচার্য্য রায় নিজের শারীরিক ও পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে নিজের শিক্ষা জীবনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। তাঁর প্রতিভা, তাঁর গবেষনা মনষ্কতা, তাঁর অন্যান্য বহু গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে যেটি বেশি নজর কাড়ে তা হল তাঁর উদ্যম। নিজের আয়ের বেশির ভাগ অংশ ব্যয় করে দিতেন গবেষনার কাজে, দুঃস্থ ছাত্রদের পেছনে কিংবা দান করে। শুধু বিজ্ঞান নয়, সাহিত্যেও তাঁর অবাধ বিচরন ছিল। একটা সময় নিজে অনুভব করলেন প্রাচীন ভারতের রষায়ন বিদ্যার ইতিহাস লিপিবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা – সংগ্রহ করলেন বহু প্রাচীন সব দুষ্প্রাপ্য পুঁথি, সংস্কৃত ভাষার পন্ডিতদের সাহায্য নিয়ে সে সব থেকে রচনা করেন ‘ A History of Hindu Chemistry from the Earliest Times to the Sixteenth Century’, যার প্রথম খন্ড প্রকাশিত হয় ১৯০২ সালে এবং দ্বিতীয়টি ১৯০৮ সালে।
মাতৃ ভাষার প্রতি তাঁর অনুরাগ সর্বজনবিদিত। এ বিষয়ে তিনি সচরাচর রাশিয়ান বিজ্ঞানী মেন্ডেলিফের উদাহরন টেনে আনতেন। মেন্ডেলিফ তাঁর পিরিয়ডিক টেবিল সর্ব প্রথম প্রকাশ করেন রাশিয়ান ভাষাতেই। বিষয়টির গুরুত্ব সেই সময় অন্যান্য দেশের গবেষকদের বাধ্য করেছিল রাশিয়ান ভাষা শিখতে। বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর অনুরাগ ও অবদানের জন্য তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সাধারন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি সংস্কৃতের এক বিখ্যাত শ্লোক ব্যবহার করে বলতেন নিজের শিষ্যের হাতে পরাজয় স্বীকার করতে তাঁর বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই। মেঘনাদ সাহা, শান্তি স্বরূপ ভাটনগর প্রমুখরা এই মহান শিক্ষকের হাতে গড়া রত্ন। পড়ানোর সময় ছাত্রদের বোঝাতে যে শরীরের হাড়কে পুড়িয়ে ফেললে তা বিশুদ্ধ ক্যালসিয়াম ফসফেট ছাড়া আর কিছু নয় – তিনি এক চিমটি ছাই মুখে পুরে নিতেন। অবসরের সময় নিজের অবসরকালীন সব টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রষায়ন বিভাগের উন্নতির জন্য ও গবেষনায় উৎসাহদানে কয়েকটি বিশেষ পুরস্কার চালু করার জন্য দান করে দেন।
আচার্যদেবের শ্রেষ্ঠ আবিস্কার ছিল মারকিউরাস নাইট্রাইট (১৮৯৬), যা তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছিল। এই মারকিউরাস নাইট্রাইট থেকে আরও অনেক গবেষনার দরজা খুলে যায়। ১৯২২ সালের দুর্ভিক্ষ, ১৯২৩ স্লের উত্তর বঙ্গের বন্যা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে আচার্যদেব ত্রানের কাজে নিজের মত করে ঝাঁপিয়ে পড়তেন। দুর্ভিক্ষের সময় তাঁর মত একজন গুনী ব্যক্তির আহ্বান বাংলার মানুষ উপেক্ষা করতে পারেননি। একমাসে প্রায় তিন লক্ষ টাকা, অনেক সোনার গয়না ও জামা কাপড় ত্রানের জন্য অনুদান বাবদ সংগৃহীত হয়েছিল। যাইহোক, আচার্য্যদেবের জীবনী পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ননা এই স্বল্প পরিসরে সম্ভব নয় বা তা এই অনু প্রবন্ধের মূল বিষয়ও নয়।
ভারতীয় সভ্যতার বিকাশ যে শিল্পোন্নতির ওপর একান্ত ভাবে নীর্ভরশীল সেই উপলব্ধির ফলস্রুতিতে আচার্য্যদেবের উদ্যোগ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুকরনীয়। আচার্য্য রায় বুঝেছিলেন প্রয়োজন ভিত্তিক গবেষনা ও ব্যবসায়িক উৎপাদন – এর মাধ্যমে দেশীয় শিল্প গড়ে তুলতে হবে। শিল্প গড়ে তুলতে হবে বেকার যুবক যুবতী’দের সুনিশ্চিত ভবিষ্যতের কথা ভেবে। নগদ পুঁজি মাত্র সাত’শ টাকা আর সম্পদ ছিল দূরদর্শিতা, জ্ঞান ও অসীম উদ্যম। প্রাথমিকভাবে কিছু কেমিকেল তিনি বাড়িতে বানাতে শুরু করেন। তারপর যাত্রা শুরু করে ‘বেঙ্গল কেমিকেল এন্ড ফার্মাসিউটিকল ওয়ার্কস’ (১৮৯২)।
১৮৯৪ সালে আচার্য্যদেবের পিতৃবিয়োগ ঘটে। বেশ কিছু ঋণের দায় থেকে গেছিল যা কিনা অবশিষ্ট সম্পত্তি বিক্রি করে মেটাতে হয়। আপার সার্কুলার রোডের ভাড়া ঘরের কোম্পানীর ওপর এরকম আরও বহু প্রতিকূলতার কোন প্রভাব পড়তে দেননি তিনি। কি ধরনের কৃচ্ছ সাধন করে তিনি তাঁর উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন তা তাঁর নিজের ভাষায় ধরা পড়ে। আত্মজীবনী তিনি লিখেছেন ‘প্রতিদিন বিকালে কলেজ থেকে ফিরে আমি আগের দিনের অর্ডার গুলো দেখতাম – দেখতাম সেগুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না। কলেজ ল্যাব থেকে ফার্মেসি ল্যাবে চলে এসে আমার কাজের পরিবর্তন আমার কাছে একটা রিক্রিয়েসানের মত ছিল। মুহুর্তের মধ্যে আমি আমার নতুন কাজে নিমগ্ন হয়ে পড়তাম আর ৪-৩০ থেকে সন্ধ্যে ৭ টা পর্যন্ত একটানা বিভিন্ন ফাইল পত্রের কাজ সারতাম। এমন কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন করার কাজ চলছিল যা অন্যথায় বাইরে থেকে আমদানি করতে হত – এই অনুভুতিই স্বাস্থ্য কে উপেক্ষা করে ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ উপভোগ করার উৎসাহ যোগাত।
যদিও বেঙ্গল কেমিকেলের সমস্ত উৎপাদন সঠিক গুনমান সমৃদ্ধ যা কিনা ব্রিটিশ ফার্মাকোপিয়া মানের ছিল – তবুও প্রাথমিক অবস্থায় তা মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এই সময়ে বহু গুনী মানুষ আচার্য্য রায়ের চিন্তাধারা ও কর্মযজ্ঞে নিজেদের বিভিন্নভাবে সামিল করার লক্ষে এগিয়ে আসেন। ডঃ আর জি কর, ডঃ এন আর সরকার, ডঃ এস পি সর্বাধিকারি, ডঃ অমূল্য চরন বোস প্রমুখরা বেঙ্গল কেমিকেলের সমস্ত উৎপাদনগুলি ব্যবহার সম্পর্কে সাধারন মানুষকে উৎসাহিত করেন। এরপর সংস্থার বৃদ্ধির হার ছিল চূড়ান্ত। আচার্য্য রায় সংস্থাটিকে বড় মাপে গড়ে তোলার কথা ভাবেন। তাঁর সেই ভাবনা থেকে বেঙ্গল কেমিকেল রূপান্তরিত হয় একটি লিমিটেড কোম্পানীতে। নাম হয় বেঙ্গল কেমিকেল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড (BCPWL)। খুব দ্রুত সেই কোম্পানী হয়ে উঠল সারা ভারতবর্ষের মধ্যে প্রথম যারা দেশীয় প্রযুক্তি এবং কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদন প্রক্রিয়া কে লাভজনক করে তুলেছিল। ক্রমশঃ বিভিন্ন রাষায়নিক পদার্থ, ঔষধ, বাড়িতে ব্যবহৃত বিভিন্ন পদার্থ প্রভৃতি উৎপাদন এই কোম্পানীর গুনগত মানের উৎকর্ষে সাধারনের কাছে আলাদা জায়গা বানিয়ে নিল। স্বদেশী উৎপাদন টেক্কা দিতে লাগল আমদানী করা জিনিসপত্রের সঙ্গে।
স্যার জন কামিং তাঁর ‘রিভিউ অফ দ্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল পজিসন এন্ড প্রসপেক্টস ইন বেঙ্গল’ তে ১৯০৮ সালে যা লিখেছিলেন তা এইরকম – ‘বেঙ্গল কেমিকেল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড বাংলার একটি অগ্রনী নব্য সংস্থা। ডঃ প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, ডি এসসি, এফ সি এস, প্রায় ১৫ বছর আগে এটিকে একটি ছোট্ট ব্যক্তিগত সংস্থা রূপে শুরু করেন – দেশীয় কাঁচামাল থেকে ঔষধ প্রভৃতি বানাতে। প্রায় ৬ বছর আগে এটিকে একটি লিমিটেড কোম্পানীর রূপ দেওয়া হয় – প্রায় ২ লাখ টাকা মূলধনের। বেশিরভাগ অগ্রনী রষায়নবিদরা হলেন এই সংস্থার শেয়ার হোল্ডার। প্রায় ৭০ জন কর্মচারী নিয়ে বাবু রাজশেখর বোস, এম এ, কেমিস্ট্রি, ম্যানেজার হিসেবে সংস্থাটিকে সুচারুরূপে পরিচালনা করছেন।‘ শেষ লাইনটির গুরুত্ব বিচার করে তা ইংরাজীতেই রাখা হল – ‘ The enterprise shows signs of resourcefulness and business capacity, which should be an object lesson to capitalists of this province.’
আচার্য্য রায়ের জাতীয়তাবোধ এবং তাঁর নিজস্ব ঢং-এ দেশ সেবার দৃষ্টান্ত বহু স্বাধীনতা সংগ্রামীকে অনুপ্রানিত করে। মহাত্মা গান্ধী, দেশবন্ধু চিত্ত রঞ্জন দাশ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস, পন্ডিত জওহর লাল নেহেরু প্রমুখ ব্যাক্তিত্বগন কোম্পানীর সুসময় ও দুঃসময়ে বরাবর আচার্য্য রায়ের পাশে থেকেছেন। শ্রী রাজশেখর বসু একসময় কোম্পানীর ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন। এই কোম্পানী মানিকতলা তে একটি মাত্র কারখানা দিয়ে শুরু হয়েছিল (১৯০৫), পরবর্তীতে পানিহাটী, ২৪ পরগনাতে একটি (১৯২০), মুম্বাই তে একটি (১৯৩৮) এবং কানপুরে (১৯৪৯) একটি কারখানা শুরু হয়। এছাড়াও সারা দেশে কোম্পানীর ন’টি বিপনন কেন্দ্রও ছড়িয়ে ছিল। স্বাধীনতা উত্তর পর্বে ষাটের দশকে পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতি কোম্পানীর বৃদ্ধির হার ব্যাহত করে। বেঙ্গল কেমিকেলের সার্বিক ভূমিকা ও কর্মচারী সহ সর্বসাধারনের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ১৯৭৭ সালে ১৫ ডিসেম্বর ভারত সরকার বেঙ্গল কেমিকেল পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করে এবং অবশেষে ১৯৮০ সালের ১৫ ডিসেম্বর এক নতুন নামে বেঙ্গল কেমিকেল কে জাতীয় সংস্থার মর্যাদা দেয়। ১৯৮১ তে নাম হয় – বেঙ্গল কেমিকেল এন্ড ফার্মাসিউটিকল লিমিটেড (BCPL)। প্রকৃতপক্ষে BCPL জাতীয়স্তরে একটি হেরিটেজ কোম্পানী রূপে আত্মপ্রকাশ লাভ করে। গুনগত উৎকর্ষতা, উপভোক্তার প্রতি দায়বদ্ধতা প্রভৃতি কারনে BCPL WHO-GMP সার্টিফিকেট, DGQA সার্টিফিকেট এবং ISO 9001 লাইসেন্স লাভ করে।
BCPL বর্তমানে বিভিন্ন বিভাগে তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন গুলি বিশেষ করে অ্যান্টি রেবিস ভ্যাকসিন, অ্যান্টি রেবিস সেরাম, ডিপথেরিয়া অ্যান্টি টক্সিন, অ্যান্টি ক্যান্সার ড্রাগস, অ্যান্টি টিউবারকুলার ড্রাগস প্রভৃতি অতি যত্ন সহকারে বানানো হয়।
যাইহোক, আচার্য্য রায় একজন প্রকৃত শিক্ষক হিসেবে যে বীজ বপন করেছিলেন BCPL হল তার মহীরূহ। এইভাবেই যে হয় সেই দৃষ্টান্ত স্থাপনের অনবদ্য কৃতিত্ব আচার্য্য দেবের স্থান অন্যান্য অনেক মনিষীর ওপরে তুলে ধরে। আমাদের দেশে আজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুসংহতভাবে গবেষনার আবহ ও সুবিধা সত্যিই দারুন। কিন্তু কোথায় যেন মূল সুরের ভীষণ অভাব। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে ‘বিজ্ঞানী’রা আর পাঁচজন চাকুরীজীবির মত নিতান্ত সাধারন। উন্নতির সিড়ি টপকাতে প্রকাশিত গবেষনাপত্র গুলির সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকলেও – তাথেকে সাধারন মানুষের জীবন জীবিকা কিংবা আদতে বিজ্ঞান প্রকৃত অর্থে কতখানি লাভবান হচ্ছে – প্রশ্ন থেকে যায়। আচার্য্য রায় আমরন ফলিত গবেষনার ওপর জোর দেওয়ার কথা বলতেন।
আচার্য্য রায়ের জীবনী বিশেষ করে তাঁর এই উদ্যোগপর্ব যা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও স্তিমিত হয়ে পড়েনি – আমাদের বর্তমান প্রজন্মের কাছে এখনও ঠিক একইরকম ভাবে প্রাসঙ্গিক। আচার্য্য রায়ের জীবনী এত সাদা মাঠা অথচ এত মহান মেধা পুর্ণ যা আজকের প্রযুক্তি নীর্ভর যুবসমাজকে অবশ্যই ভাবিত করবে, আলোড়িত করবে – সত্যিই তাঁর পরিবর্ত (Alternate) হয় না। পরিবর্ত হয় না ভাবনা বা বোধের। পরিবর্ত হয় না সামাজিক অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য শিল্পের।
তাঁর জন্মের সার্ধ শতবর্ষে প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি বোধহয় সেই আলোড়ন – যা কিনা সত্যিই আমাদের কিংবা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক দিশা দেখাবে।
-------------------------------------------------
মন্তব্য (3)