কাকতালীয় যুক্তিতে কাকতাড়ুয়া হাসে
আমি দেখিলাম।
একটি কাক আকাশে উড়ে গেলো।
বেলটা গাছ হইতে পড়ে গেলো।
কাক উড়ে যাওয়া বেল পড়ার কারন(সিদ্ধান্ত)
আমি দেখিলাম
একটি বাবুই পাখি তাল গাছে বসলো।
তালটা মাটিতে ঝড়ে পড়লো।
বাবুই পাখি বসেছে তাই তাল পড়েছে(সিদ্ধান্ত)
বজ্র পাত হচ্ছিলো।
ঘরটা ভেজ্ঞে গেলো।
বজ্রপাত ঘর ভাঙ্গার কারন(যুক্তি সিদ্ধান্ত)
আর রহিমা বুরকা পড়ে ধর্ষিত।
করিমা হিজাব পড়ে ধর্ষিত।
বিল্কিস পর্দা করে ধর্ষিত।
সকল ধর্সনের কারন বুরকা।
তাই বুরকা বাদ দাও ( যুক্তি সিদ্ধান্ত)
এই ঘারতেড়া রগ ত্যারা রা জানে না। এই সব যুক্তি
আসলে ভুল আর কাকতালীয় যুক্তি।ভ্রান্ত যুক্তির উদাহরণ ছাড়া কিছু না।এরা মনে করে তারা একাই যুক্তিবিদ্যা বই পড়িয়াছে। বাকি সব মানুষ পাগল।
কেনো ? ধরুন।
প্যান্ট পড়ে কেউ মারা গেলো।
প্যান্ট পড়ে কেউ এক্সিডেন্ট করলো।
প্যান্ট একটা বিপদজনক পোশাক(সিদ্ধান্ত)
আমরা কি এমন করি?না। কারন এই যুক্তিগুলো ভ্রান্ত
এবং এখানে নীরিক্ষা করা হয়নি। ভালো করে দেখা হয়নি। সামান্য নীরিক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেতা হয়েছে।
১৬কোটি জনগণ। ১০,২০ টি সংখ্যাকেউ যদি নীরিক্ষা করি। তাহলেও যুক্তি এমন হয় না। যে প্যান্ট অনিরাপদ পোশাক। তাহলে হিজাব বা পর্দা কেনো??
কারব যারা বলে।তারা ঘার ত্যারা যুক্তিতে কথা বলে।
এরা নাস্তিকদের দ্বারা সাইকোলজিক্যালি মোটিভেটেড হয়ে গেছে। তাই সাদা কে সাদা দেখে না কালোকে কালো দেখে না।সত্যকে মিথ্যা দেখে। তাদের বিবেক বিক্রিত মোটিভেটেড করা।প্রেষিত করা বিবেক।তারা ইসলামেই ভুল খুঁজে পায়।তারা আমাদের সবাইকে সন্ত্রাসী ভাবতেই বেশি পছন্দ করে।কেনো অন্য কোন দেশে কি ধর্ষণ হয় না?সেখানে তো মেয়ে, মহিলা শিক্ষক রা ছেলেদের
ধর্ষণ করে। অস্ত্রবল, হাতিয়ার দেখিয়ে ভিডিও করে
। আর যতো অপরাধ সব আমাদের?? এদের আর কি বলবো।এদের যুক্তি দেখলে হাসি আসে। এখনো লেখছি আর হাসতেছি। পাগলের কত রঙ। এদের দেখে শিক্ষা নেয়া যায়।।।।
আসল কথা হল ধর্ষণের জন্য কি পোশাক দায়ী? না দায়ী আমাদের মন মানসিকতা? আমরা কি শিক্ষা নিচ্ছি?
পশ্চিমা যত ভুলভাল আর নগ্ন সংস্কৃতি।
উদাহরণ।
আগের দিনে (আমার ছেলেবেলা বা চাচা বাবা তাদের ছেলে বেলা শৈশব))) আমরা ছেলে মেয়ে এক সাথে গোল্লা ছুট চুর পুলিশ খেলা করতান। তখন কোন ছেলে মেয়েকে এতো বৈষম্য করতে দেখিনি। আমরা বন্ধু ভাবতাম। বিপরীত লিঙ্গ শব্দটা ভাবিনি কোনদিন। আর আমরা খেলার ছলে মারামারি করলেও কিছু ভাবিনি।কেউ কাউকে হেনস্ত করতেও দেখিনি। স্কুলে মেয়ে ছেলে একটা বন্ধুত্ব ছিলো।প্রেম করা শুরু হলেও সেটা স্কুলের গন্ডি পার হবার পর।
আর আজকের দিনে দেখুন।
ভারতের টিবি সিরিয়াল , নগ্ন নাচ আর
এডাল্ট ছবি বাচ্চাদের মগজে। তারা
৬বছর বয়সেই জানে বয় ফ্রেন্ড, গার্ল ফ্রেন্ড। ও ছেলে তার সামনে যাওয়া যাবে না।তাকে বন্ধু করলে চান্স নিবে। আরো কিসব। আপনারা কি এখনকার বাস্তবতা জানেন? ও ভাই #নারীবাদী জানো????
ক্লাস ত্রি + বয়স ৭, ৮। সে তার বয় ফ্রেন্ড নামক বস্তুটিকে বাসায় নিয়ে যায়।আর
১৮+কর্মে লিপ্ত হয়। এর জন্য কারা দায়ী??এখন বাচ্চা ছেলেটাও আন্টিদের মাল বলে গালি দেয়।আর বাচ্চা মেয়েটা
বড় ভাই চাচ্চুদের প্রেমে পড়ে। বলে অহ আমি ক্রাশ খাইছি। আমি ঘাস খাইছি।
পাতা লতা কতো কিছু খেয়ে ফেলে বাচ্চা বয়সেই।
এক ভাইয়ের কথা মনে পড়ে। তার ছাত্রী তার মেসে অনশন শুরু করেছিলো। বলে আমাকে বিয়ে করতে হবে। না হয় আমি মরে যাবো।।। হায় আফসুস মেয়েটি তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। সে বলে ভাইয়া এতো ভালো ছাত্র তাই তাকে আমি জামাই বানাইতে চাই।তাহলে আমাকে পড়া লেখা করতে হবে না। কষ্ট করে।
ভাইয়া তো চাকরি পাবেই।দেখুন দুধ খাওয়ার বয়সে কি ভাবে।।।
তাহলে আমরা কি ধরে নিবো??
থাক এসব কাকতালীয় যুক্তি। আমিও জানি। তবে এই কাকতালীয় কাজ টা আমাদের সুন্দর সমাজকে নষ্ট করে খাচ্ছে। ভারতের সিরিয়াল বা আগ্রাসী
# ক্রাইম পেট্টোল। সাবধান ইন্ডিয়া।
এসব দেখে আমাদের দেশে সেই কাজ গুলো বাড়ছে। আমরা কি বলতে পারি না?????পারি।।।
আগে তো আমাদের দেশে এমন ছিলো না। বন্ধু বন্ধুকে মারে। ভাই ভাইকে মারে
মা সন্তানকে মারে। এসব ই তো দেখায় তারা। পুত্রবধূ পরিবারের সবাইকে মারে আর দেবরকে নিয়ে পলায়ন।।। তাই
বলে কি আমরা সব ভাবিদের খুনি বলবো???
তাহলে আপনারা কি করে বলেন। বাবা, ভাইয়ের দিকে আংগুল তুলেন। বলেন
মা বোন কে তারা কি করতো।।।।আরে
ছাগলের মতো যুক্তি আমরা বুঝি।তবে
আফসুস সে সকল ভাইদের জন্য।যারা এখনো তোমাদের কথা শোনে মোটিভেটেড হয়।।।।।
আরেকটা যুক্তি খন্ডন দেখুন।
রহিম মৃত্যুর সময় লুঙ্গি পরিহিত ছিলো।
যদু হার্ট এটাকের সময় লুঙ্গি পড়ে ছিলো।
মধু এক্সিডেন্ট হওয়ার সময় লুঙ্গি পড়া ছিলো।
লালু খুন হল যখন তার পরনে লুঙ্গি ছিলো।
লুঙ্গি একটি বিপদজনক পোশাক।(সিদ্ধান্ত)
তাই নাকি ভাইজানেরা? আপনাদের যুক্তি অনুযায়ি এটা একটা স্ট্রং শক্তিশালী যুক্তি।কারন গ্রামের ১০০মানুষের যদি মৃত্যুর সময় দেখা যায়। দেখা যাবে ৯০জন মরার সময় লুঙ্গি পরিহিত ছিলো।বা চর দখল করতে যেয়ে যারা খুন হয় তারাও পরনে লুঙ্গি।
তাহলে কি বলতে পারি? এই লুঙ্গি একটি বিপদজনক পোশাক।
না আমরা আপনাদের মতো এতো ঘার ত্যারা না। আমরা জানি এটা কার্জ ও কারন আলাদা। সিদ্ধান্ত, ও কার্জ
এর সাথে কারিনের মিল নাই।সব ক্ষেত্রে মিল নাই। নীরিক্ষাতে ভুল আছে। অনীরিক্ষিত রয়ে গেছে।
আরো একটা যুক্তি।
বলিউডে ক নায়িকা বয়সে ছোট একজনকে বিয়ে করেছে।
# খ নায়িকা বয়সে কম ছেলের সাথে প্রেম ও বিয়ে করেছে।
# গ নায়িকা তার কম বয়সীকে বিয়ে করেছে।
বলিউডে সকল নায়িকা বয়সে ছোট পুরুষকে বিয়ে করে।(সিদ্ধান্ত)
হল এই যুক্তি? এটা কি সঠিক? সবাই কি করে??
আরেকটা।
গ ও ঘ শিল্পী প্রেম করে বিয়ে করে সংসার টিকেনি।
ব ও ভ এর সংসার টিকেনি প্রক্রিয়াগত কারনে।
জ ও ঝ এর সংসার ও টিকেনি প্রক্রিয়া ঘটিত কারনে।
সকল অভিনেতা অভিনেত্রী রা বিয়ে বহির্ভূত প্রক্রিয়া তে লিপ্ত(সিদ্ধান্ত)
আপনি এই যুক্তি মানেন??আমি মানি না।কারন এখানে সব উলটা পালটা।
কারন কার্জ, কোন মিল নাই।কয়েকটি মাত্র নীরিক্ষণ। আরো কত শত ভুল।
তাহলে পর্দা নিয়ে এতো মাথা ব্যথা কেনো????
আপনার ভালো লাগে না??? এই জন্য।
ভালো আপনাকে মানতে হবে না।এমনিতেই অনেক আছে যারা পর্দা করে না।
আর যারা করে তাদের করতে দিন।যারা মানে তাদের মানতে দিন।সন্ত্রাসী, সয়তান বলবেন না। মূর্খ কারা তা একটু
পরীক্ষা আর নীরিক্ষা করলেই দেখা যায়।
# আসল কথা হল আপনারা কার বিচার চান?পোশাকের? নাকি অপরাধীর?কার বিচার চাওয়া উচিত? পোশাকের নাকি অপরাধীর?দুই শ্রেণীর লোক যারা পোশাক নিয়ে কথা বলে।
১)যদি ধর্ষিতা মেয়ে হিজাব /বোরকা পড়ে ধর্ষিত হয় তবে নাস্তিকরা বলে দেখলা আস্তিক ভাই? হিজাব মেয়েটাকে রক্ষা করতে পারলো না।হিজাবের কোন দরকার নাই।
২)আর যদি ধর্ষিতা মেয়ে যদি প্রগতিশীল ;আধুনিক পোশাকে থাকে তবে আমাদের কিছু ভাই বলে। তার গায়ে ভালো পোশাক ছিলো না। তাই এমন হয়েছে।
কেউ বলেনা আগে বিচার হোক। পোশাক যেটাই হোক।বিচার ধর্ষণকারীর হবে। কথায় কথায় যারা পর্দাপ্রথার বিরোধিতা করে তারা কার বিচার চায় কে জানে।।।যাও সব পোশাককে জেল খানাতে বন্দি করে রাখো।না হয় শাহবাগ মোরে দেশের সব পোশাক কে শাস্তি দিয়ে জালিয়ে ফেলো।দরকার নাই তোমাদের পোশাকের। তারপর গান গাও
আমি পাগল, ভবের পাগল।।
আমি জানি এই যুক্তি ব্যাখ্যা গুলো দুর্বল। তবে তোমাদের যুক্তিগুলো কিন্তু যুক্তিগত কোন ভিত্তি দেখিনা।
আর যারা ধর্ষণ এর প্রধান কারন পোশাক আর বোরকা এই
কথা বলে এই দুই শ্রেণীর মানুষকেই বলবো পোশাক নয়।
সামাজিক শিক্ষার অভাব। সামাজিক অবক্ষয়, আর
ভারতীয় এডাল্ট সিরিয়াল গুলোর আগ্রাসন। পশ্চিমা সংস্কৃতি এর জন্য দায়ী। ধর্মীয় শিক্ষার অভাব আছে সাথে আছে কিছু পশুদের ধর্ম না মানার অপরাধ।যারা ভাবে শুধু নারীকুল
ধর্ম মানিবে। নারীরাই শালীন পোশাক পড়বে। নারীরা শুধু
বোরকা পরবে তারা দায়ী এসবের জন্য। দায়ী কিছু পাপী।
বোরকা দায়ী না।
পুরুষকেও বলা হয়েছে নিজেকে কন্ট্রোল করে রাখার জন্য।
নিজের দৃষ্টিকে, নিজের খারাপ চিন্তাকে সামলে রাখার জন্য।
নারীকে সম্মান দেয়ার কথা আছে কুরানে। পুরুষের শালীন পোশাকের কথাও আছে।।।।আছে সবার অধিকার রক্ষার কথা।
তাই শুধু বোরকার বিরোধিতা করে আপনারা বুদ্ধিবান হয়ে যাবেন না।হয়ে যাবেন না কোন বিশেষ কেউ। যুক্তি দেখাতে হয়।
ভালো যুক্তি দেখান।অপরাধীর শাস্তি দাবি করে যুক্তি তুলে ধরুন। ভুলে ভরা যুক্তি নিয়ে ধর্মকে আক্রমণ করা বাদ দিন।
আপনারা জ্ঞান বিজ্ঞানে অনেকে পি এইস ডি করা। তাদের জ্ঞান মাওনবতার কল্যানে লাগান। শুধু এক চেটিয়া বিরুধিতা করে কি পাবেন? কি আছে এই সংঘাত পূর্ণ সম্পর্কে?
কিছু কথা-------
ধর্ষণ, উত্যক্ত হওয়ার সাথে হিজাবের অবস্থানটা কী সেটা অনেকেই জানতে চায়। হিজাব নিয়ে অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করে বলে থাকে, বোরকা পরলে ধর্ষণ হয় কেন?
অনেকে আবার শিশু ধর্ষণের দুঃখজনক ঘটনাগুলোর পর সব ক্ষোভ হিজাবের ওপর ঝাড়তে গিয়ে বলে, দুই বছরের বাচ্চাকেও বোরকা পরতে হবে নাকি?
হিজাবের সাথে ধর্ষণের কোনো সম্পর্ক নেই। ধর্ষক পোশাক দেখে ধর্ষণ করে না। বোরকা পরার পরেও ধর্ষণ হয়। বোরকা পরলে ধর্ষণ করা হবে না, এমন কথা কোথাও বলা হয় নি।
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
"হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।"
বাংলাদেশে পর্দা করেন কিংবা বোরকা পরেন এমন নারীর সংখ্যা নগন্য নয়। মুসলিম নারীদের অনেকেই আলহামদুলিল্লাহ পর্দা করেন। দেশের যে কোনো প্রান্তে গেলেই অহরহ চোখে পড়ে বোরকা পরা নারী। সন্দেহ নেই বোরকা পরা নারীকে অন্য যে কোনো পোশাক পরিহিত নারীর চেয়ে শালীন ও সমীহযোগ্য দেখায়। তাদের দেখলে কেবল অসুস্থ মানসিকতার লোকরা ছাড়া সবাই মনে মনে শ্রদ্ধা বোধ করেন। মুসলিম সমাজে পথে-ঘাটে তাদের সম্মান দেখানো হয়। গাড়িতে সিট না পেলে বেপরোয়া তরুণরাও তাদের জন্য নিজের আসন ছেড়ে দেয়। যারা সত্যিকার পর্দা করেন রাস্তা-ঘাটে তাদের পিছু লাগে না বখাটে যুবকরাও। এটিই বাংলাদেশের স্বাভাবিক চিত্র।
প্রশ্ন????????
#তবে যারা এই পর্দা থাকার পরেও নোংড়া কাজ করে।নারীকে
সম্মান দেয় না। তারা তো জাগ্রত মাতাল।তারা পর্দার ই কি বুঝে আর পর্দাবিহীনতাই কি বুঝে। এদের স্থান হওয়া দরকার পাগলা গারদ না হয় জেল খানা। এরা তো মানুষ না পশু। এদের জন্য ধর্ম পরায়ণ মানুষ পর্দা ছেড়ে দিবে কেনো??
তবে বাংলাদেশের এই স্বাভাবিক চিত্রের উল্টোপিঠও আজকাল দেখা যাচ্ছে। এ যুগের বোরকা পরা মেয়েদের পেছনেও ইদানীং বখাটে ছেলেরা ঘুরঘুর করছে। বোরকা হেফাযতের কারণ হওয়ার পরও অনেক বোরকাবৃতা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। গৃহবধূ থেকে নিয়ে স্কুল-কলেজ এমনকি মাদরাসার ছাত্রীরাও সাম্প্রতিককালে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। তারাও আজকাল খবরের শিরোনাম হচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে আসলে স্বতন্ত্রভাবে ভাবা দরকার।
বিশ্বব্যাপী ইসলামের পর্দা বিধানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, দেশীয় মিডিয়াগুলোয় বোরকাকে নেতিবাচকভাবে বিরামহীন উপস্থাপন, সর্বোপরি কিছু লোক বোরকাধারীর সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করে যা দিনদিন বেড়ে চলেছে।।বোরকার প্রতি এক শ্রেণীর মানুষের বিরূপ মনোভাব গড়ে উঠছে।
মিডিয়ার বিষয়টি বাদ দিলে তথাকথিত এই লোকেরা বোরকার প্রতি ঘৃনা প্রকাশ করতে বোরকাওয়ালীদের সাথে খারাপ আচরণ করে। মূলত দায়ী সম্প্রতি একটি শ্রেণীর বোরকাবিরোধী কটু বাক্য উচ্চারণে অভ্যস্তকরণে ।
এদের কারণে অনেক সময় প্রকৃত পর্দাশীল নারীদেরও দুষ্টু লোকের অশিষ্ট মন্তব্য হজম করতে হয়। নিজের মতো বোরকা পরা একটি মেয়েকে নষ্টামি করতে দেখে কে না লজ্জায় অধোবদন হন। মানুষের সামনে আড়ষ্ট হয়ে ভেতরে হায় হায় করেন।
এরা ধর্মকেও করে অপমান আর এর চিনহ সরুপ হাসপাতাল, স্কুলে বোরকা ধারীদের সাথে খারাপ আচরণ করে কিছু লোক।যা প্রচার পায়না।
#সবশেষে একটা কথা বলতে চাই।কোন পোশাক ধর্ষণের জন্য দায়ী নয়।এবং কি হিজাব বা বোরকা ও নয়। যারা কালপ্রিট ও সয়তান তারা যে কাউকে যে কোব পোশাকে ধর্ষণ করতে পারে।যারা বোরকা পড়ে তাদের কে হেয় করে অপমান করা থেকে বিরত থাকুন আর যেখানে সেখানে বিদ্বেষ ছড়ানো বাদ দিন। বোরকা পর্দা এই জিনিস ধর্মপ্রাণ মানুষের আমল আর আখলাক। তা তারা পালন করুক করতে দিন। আর যারা অন্য ধর্ম মানে বা নাস্তিক তাদের আমরা চাপিয়ে দিতে চাই না।
তারা তাদের বিষয় ভালো বুঝেন।
পোষাক নয়। মানসিকতা পরিবর্তন করুন।ইসলাম ধর্ম সহ সকল ধর্ম কে সম্মান দিতে শিখুন। হিজাব যারা ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসী না । বা যারা পাঞ্জাবী পড়ে তারা শিবির না সবাই
আই এস নয়।।। আমরাও মানুষ। কিছু খারাপ লোক সব সমাজেই থাকে। তাদের বাছাই করে বিচার করা
সময়ের দাবী।।।
Comments (10)