মান্নাবাবু আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তাঁর গানে কফি হাউস অমর হয়ে আছে। অস্ট্রিয়া দেশের wiener kaffeehaus -এর আদলে 1942 সালে বইপাড়ায় গড়ে তোলা হয় এটি। বইপাড়া অর্থাৎ কলেজ স্ট্রীট - যার সাথে এক মাত্র তুলনা করা চলে ম্যানহ্যাট্যানের ( নিউ ইয়র্ক ) পঞ্চম অ্যাভিনিউর। একশত একতিরিশ বৎসর বয়সী বইপাড়া টাইম ম্যাগাজিনের "বেস্ট অব এশিয়া 2007" তালিকায় স্থান পায়। 1994 সালে অ্যাপেক্স কোর্ট অর্থাৎ সর্বোচ্চ আদালত ( সুপ্রীম কোর্ট ) কফি হাউসকে জাতীয় সংস্কৃতি কেন্দ্রের সম্মানে ভূষিত করে। যে স্থান নেতাজি এবং রবিঠাকুরের মতো মহাজ্ঞানী মহাজনদের পদধূলিতে ধন্য, সেই স্থান যে এমনতরো শিরোপাই পাবে তা বলাই বাহুল্য। ঋত্বিক ঘটক, সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন প্রমুখ বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিদের এবং হাংরি জেনারেশন ও অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আন্দোলনের সাক্ষী কফি হাউস আজ নিজেই এক জীবন্ত দলিল - যেখানে সময় এবং স্থান দুটোই খরচ হয় কিন্তু বিল আসে শুধু কফির।
[ একদম শেষের ছবিটিতে মান্না দে'কে নিজেই দেখা যাচ্ছে কফি হাউসে বসে "কফি হাউসের আড্ডা" গানটি সৃষ্টি করতে। আর ঠিক তার আগের ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে কফি হাউসের দেওয়ালে আটকানো রবিবাবুর একটি তৈলচিত্র। ]
মান্না দে আমার প্রিয় শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম। 'কফি হাউস' যুগান্তকারী গান হয়ে রয়ে যাবে চিরদিন সাথে আমার প্রিয় শিল্পীও । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই সকল তথ্য ও চিত্র প্রকাশ করেছেন।
মন্তব্য (7)