একলা বৃক্ষ দাঁড়িয়ে থাকে
তপ্ত রোদের তলে,
নিজে পুড়ে সে ছায়া ছড়ায়,
স্নিগ্ধ সুশীতলে।

কাণ্ড তাহার এক জাগাতে
শেকড় মাটির গায়,
কিন্তু তাহার দয়া টুকু যে
বহুদূর ছড়ায়।

সীমিত তাহার দেহের গড়ন
আয়তন ছোট অতি,
ছায়ার ব্যাপ্তি ছাড়িয়ে কায়া,
পথিকের দেয় গতি।

তৃষ্ণার্ত ঐ ক্লান্ত পথিক,
যখন সেখানে আসে,
বৃক্ষ তারে আগলে রাখে,
খুবই ভালোবাসে।

​মানুষের এই জীবনটাও,
বৃক্ষেরই মতন,
কায়া নিয়ে তো ব্যস্ত থাকে,
কেবল অবুঝ মন।

রক্ত-মাংসের শরীরটা তো
একদিন হবে শেষ,
রয়ে যাবে অমর কাজের,
পুণ্য মধুর রেশ।

মহৎ প্রাণের আদর্শটা,
ছায়ার মতো বড়,
মরণ পরে রয় সে বেঁচে,
হোক না দেহ দড়।

নিজের চেয়েও কর্ম যাহার,
সমাজ মাঝে রয়—
সে মানুষই বৃক্ষ হয়ে,
বিশ্বকে জয় কয়।