আমরা স্বাধীন। আমাদের এ স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে রয়েছে রাজনীতির এক বর্ণাঢ্য ইতিহাস। স্বাধীনতা পূর্ব রাজনীতিতে যতটা পরিশুদ্ধতা পাওয়া যায়; স্বাধীনতার ৪৯ বছরে এসে ঠিক তার উল্টোটা আমাদের দেখতে হচ্ছে। অথচ এমনটা হওয়ার কথা ছিল না। এ দেশের মানুষ যে স্বপ্ন নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে; তার বাস্তবিক ফলাফল সম্পন্ন ভিন্ন। বলা যায় মুক্তিযোদ্ধাদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন হয়নি। জননেতা ভাসানীর হাত ধরে যে রাজনীতির সূচনা...পরবর্তীতে শেখ মুজিব ও জিয়াউর রহমানের হাত ধরে রাজনীতি কিছুটা গতিশীলতা পেলেও পরবর্তীতে লেজুড়ভিত্তিক রাজনীতি, তোষামদকারীদের আনাগোনা, রাজনীতিকে কর্মসংস্থানের মাধ্যম মনে করা, প্রতিহিংসা পরায়ণতা আমাদের রাজনীতিকে চরমভাবে বাধাগ্রস্থ করে। ফলে স্বাধীন জাতি হিসাবে আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি।
বর্তমান রাজনীতির অবস্থাতো আরো করুণ। সঠিক ধারার রাজনীতিকে পিছনে ফেলে এক ধরনের অসৌজন্যমূলক আচরণের সিন্ডিকেটকে রাজনীতি বলে চালানোর অপচেষ্ঠা মাত্র। এতে করে সঠিক ধারার রাজনীতিবিধরা যেমন ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে; তেমনি দেশটাও রসাতলের দিকেই ধাবিত হচ্ছে।
বর্তমানে এমন কিছু রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠন তৈরি হচ্ছে; যারা কিনা শুধু মাত্র নাম বিক্রি করে চলে এবং সঠিক ধারার রাজনীতিকে বাধাগ্রস্থ করে। এরা ঐ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে; যার দায়ভার মূলধারায় গিয়ে পড়ে। সুতরাং বর্তমান রাজনীতিকে গতিশীল ও যুগউপযোগী করতে আগাছার মতো অতি মাত্রায় বেড়ে উঠা অঙ্গসংগঠনকে এখনই বন্ধ করতে হবে।