মেঘবালিকা তোমার সকাল হয় চায়ে্র কাপে আর আমার কামলা বেচা ভোরে লাল পেড়ে রক্তজবা শাড়িতে কৃষ্ণচূড়া শুভেচ্ছা তোমায়। আমি সস্তার হাটে কামলা বেচে হাত পাখা ভাগ্য নিয়ে বয়ে চলছি তাসের জীবন।
ইটভাঙ্গা যন্ত্রের মতো সাদা কালো মেঘ ধর্মঘটের বিপরিত স্রোতে পাখিরা ও নীড়ে ফেরে। মোবাইলের উস্কানিতে পাশের টেবিলের কারো বাড়ী ফেরার তাড়া।আমার কোনো ঠিকানা নেই। একদিন আমার ও ইথারে ভেসে আসতো লাঙ্গলের ফলার মতো ঠোঁট থেকে হলুদ পূর্ণিমায় ধ্রু-পদী সুখ।
মেঘবালিকা, আমি আর বসন্ত চাই না কংক্রিট পৃথিবীর কাছে। সবুজ জমিনে আহত স্বপ্ন খেয়ে যায় দুঃস্বপ্নের পেঁচা। ঘরে ফেরা পথ বেঁকে যায়, মিশে যায় হন্তারকের দেশে। বিফল রাতগুলো জেগে থাকে কলমের ডগায়।
সর্ম্পকের ধূলো গা ঘেষে উড়ে যায় রঙিন বাতাসে।
আমি অবাক হই না আর।
হয়তো চেয়েছিলাম শীতার্ত দিনে একমুঠো রোদ। অন্ধকারে এক বৈয়ম আলো। খাবি খাওয়া সময়ে এক শিশি নিঃশ্বাস কিম্বা দগ্ধ বিকেলে একফোঁটা বৃষ্টির বিশ্বাস।
…এখন প্রত্যাশার মলাটে বৃষ্টি নয়
রোজ রাতে ঝড় আসে।
মন্তব্য (4)